শিরোনাম :
৮ জেলায় বজ্রপাতে ১৫ জনের মৃত্যু নৈশভোজে হামলাকারীর ‘লক্ষ্যবস্তু’ ছিলেন ট্রাম্প স্ত্রীকে এক নজর দেখতে হুইল চেয়ারে ট্রাইব্রুনালে দিপু মনির স্বামী শাজাহানপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে পুষ্টি সচেতনতার আহ্বান শাজাহানপুরে জলিল বাহিনীর সহযোগী আটক শ্রমিক দিবস সফল করতে বিএসকেএফ বগুড়া মহানগর শাখার লিফলেট বিতরণ শিবগঞ্জে ইজিবাইকের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি

ছাত্রকে বলাৎকারের পর হত্যা
সোনাগাজীতে লম্পট মাদ্রাসা শিক্ষকের ফাঁসি দাবি
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট

জেলার সোনাগাজীর চরলক্ষ্মীগঞ্জ হাফেজ সামছুল হক নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রায় ৩৫ ছাত্রকে বলাৎকার করা হয়েছে। বলাৎকারের পর ছাত্র আরাফাত হোসেন হত্যা মামলার আসামি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মোশারফ হোসেন আদালতে ২৬ আগস্ট ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য প্রদান করেন। তিনি সাত বছরে মাদ্রাসার ছাত্রদের যৌন নির্যাতনের কথা আদালতে অকপটে স্বীকার করেন।

মামলার আসামি চরলক্ষ্মীগঞ্জ হাফেজ সামছুল হক নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক মো. মোশারফ হোসেন ও নূর আলী আরাফাতের ছাত্রদের যৌন নির্যাতনের বিষয়ে অধিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনাগাজী মডেল থানার ওসি ও দাগনভূঞা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে এসব লম্পট মাদ্রাসা শিক্ষকের ফাঁসির দাবি তুলেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু ইউছুফ, মাদ্রাসার সভাপতি হাফেজ আবুল বাশার ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চুসহ এলাকাবাসী। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে বলাৎকারের পর ছাত্র আরাফাত হোসেন হত্যা মামলার তদন্ত করে রায় দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

২৬ আগস্ট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন শিক্ষক মোশারফ হোসেন। জবানবন্দিতে মাদ্রাসায় বিভিন্ন সময় ছাত্রদের যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করে তাদের নামও প্রকাশ করেন তিনি।

তার যৌন নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি ওই মাদ্রাসার ছাত্র মামাতো ভাইও। আদালতে জবানবন্দিতে মোশারফ হোসেন জানান, তিনি ২০১১ সালে চরলক্ষ্মীগঞ্জ হাফেজ সামছুল হক নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় যোগদান করেন। তিনি হেফজখানা ও এতিমখানা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।

২০১৪ সাল থেকে বিভিন্ন সময় কৌশলে মাদ্রাসার কোমলমতি শিশুদের যৌন নির্যাতন করেন তিনি। নিহত ছাত্র আরাফাত হোসেনকে ইতোপূর্বে পাঁচবার বলাৎকার করেন। ২২ আগস্ট রাতে আরাফাতকে বলাৎকার করার পর তার বাবাকে জানিয়ে দেবে বললে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তিনি আরও জানান, মাদ্রাসার প্রায় ৩৫ ছাত্রকে যৌন নির্যাতন করেছেন।

বর্তমানে অধ্যয়নরত ছয়জন ছাত্রকে যৌন নির্যাতন করেছেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোশারফ হোসেন ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার কাঁঠাল ডাঙ্গুরী গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে।

মঙ্গলবার বিকাল থেকে আদালতের আদেশ অনুসারে ঘটনার অধিকতর তদন্ত শুরু করেছেন বলে জানান সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ২২ আগস্ট রাতে উপজেলার চরলক্ষ্মীগঞ্জ হাফেজ সামছুল হক (র.) নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার হেফজ বিভাগের ছাত্র আরাফাত হোসেনকে (৯) বলাৎকারের পর হত্যা করে মাদ্রাসার সামনে প্রবাসী মিজানুর রহমানের একটি ডোবায় লাশ ফেলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023