শিবগঞ্জ ( বগুড়া ) প্রতিনিধি
বগুড়ার শিবগঞ্জে পল্লীতে খরের সংকট, নেপিয়ার ঘাস চাষ করে কৃষকগন অনেক লাভবান হচ্ছে। পল্লী গ্রামে প্রতি ঘরে ঘরে গোবাদি পশু পালন করে থাকে । এই গোবাদি পশুর খাবার হিসাবে ব্যাবহার হয় খর , চালের গুড়া, ভুষি,ঘাস ইত্যাদি ।অনেকেই আবার গরুর খামার করে সেখানে ১০ থেকে৪০/ ৫০ টি গরু পালন করে ।ফলে কিছু দিনের মধ্যে গোখাদ্যের অভাব দেখা দেয় । তখন এক মাত্র ভরসা খুদের (ভাঙ্গা চাউলের ) ভাত ও নেপিয়ার ঘাস। এই নেপিয়ার ঘাস এখন পল্লী গ্রামের মাঠে মাঠে দেখা যায় । গরুর খাবার হিসেবে কৃষক অন্যান্য ফসলের পাশা পাশি নেপিয়ার ঘাস চাষ করে । অনেকেই আবার বানিজ্যিক হিসাবে এই ঘাস চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছে । পশ্চিম জাহাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের কৃষক ফরিদ জানায়, “অন্যান্য ফসলের তুলনায় নেপিয়ার ঘাসের উৎপাদন খরচ অনেক কম এবং জমিতে একবার ঘাস লাগালে ৪০/৪৫ দিন পর পর ঘাস কাটা যায় । বৎসরে ৮ বার ঘাস কাটা পরে মাঝে মাঝে শুধু একটু নিরানী ও সার দিতে হয় । এতে করে এক বিঘা জমি থেকে বৎসরে প্রায় এক লক্ষ টাকা ঘাস বিক্রি করা যায় । অনেক সময় খামারীরা জমি থেকে ঘাস নিয়ে যায় । তাছারা শিবগঞ্জ হাট, আলিয়ারহাট সহ বিভিন্ন হাটে এই ঘাস পাইকারী বিক্রি করা যায় ” । কৃষক ছামছুল হক জানায় , ” আমার ৩ টি গরুর জন্য প্রতি দিন আলিয়ারহাটথেকে ঘাস ক্রয় করতে অনেক টাকা লাগত ।এখন ১০ শতক জমিতে নেপিয়ার ঘাস চাষ করায় নিজের গরুর চাহিদা মিটিয়ে কিছু ঘাস বিক্রি করা যায়। এলাকার অনেকেই এখন নেপিয়ার ঘাস চাষে ঝুকে পরছেন।