শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

অপারেশনের পর রোগীর মৃত্যু, পালালেন চিকিৎসক-নার্স

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অপারেশনের পর মশিউর রহমান মিলু (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এরপরই স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যান ডাক্তার ও নার্স।

সোমবার (২৩ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শহরের কলোনী এলাকায় রেইনবো কমিউনিটি হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মশিউর রহমান মিলুর মৃত্যু হয়। তিনি সুলতানগঞ্জ পাড়ার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে। শহরের বড়গোলায় ঢেউটিনের ব্যবসা করতেন তিনি।

সোমবার দুপুরের পর মশিউর রহমানকে রেইনবো কমিউনিটি ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাফর সাদিক তার অপারেশন করেন।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, ডাক্তার অপারেশন করে চলে যাওয়ার পর রাত ৯টার দিকে রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এসময় ক্লিনিকে কোনো চিকিৎসক ছিলেন না। এনিয়ে ক্লিনিকের কর্মচারীদের সাথে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে রোগীর অবস্থার আরো অবনতি হয়। এসময় রোগীর স্বজনরা হৈচৈ শুরু করলে স্থানীয়রাও ক্লিনিকে ভিড় জমান। অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যান ক্লিনিকের চিকিৎসক-নার্স। পরে রাত ১০টার দিকে রুপক নামে ক্লিনিকের একজন কর্মচারী অ্যাম্বুলেন্স ডেকে রোগীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে সাহায্য করেন। সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোগীর ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ক্লিনিকের কর্মচারী রুপকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রোগীর ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ক্লিনিকের অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রেইনবো কমিউনিটি হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাউছুল আজম সন্ধ্যার পর থেকে ক্লিনিকে থাকলেও হৈচৈ শুরু হলে তিনি চলে যান। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

শহরের বনানী পুলিশ ফাঁরির সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তারা ক্লিনিকে পৌঁছে ডাক্তার, নার্স কাউকে পাননি। রোগীর স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তড়িঘড়ি করে রোগীকে মেডিকেলে পাঠানো হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023