স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ায় আওয়ামীলীগ নেতা মমিনুল ইসলাম রকি হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতারকৃত শাজাহান আলীর পরিবারের সদস্যদের পুলিশী হয়রানির করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বগুড়া পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদনের দাবি করেছেন শাজাহান আলীর দুই মেয়ে আছিয়া বেগম ও শাপলা বেগম। এতে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই রাতে ফাঁপোড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা রকি খুন হয়। ঐ হত্যা মামলায় ৮ নং আসামি তাদের পিতা শাজাহান আলীকে ৩০ জুলাই গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন। এরপর থেকে প্রায়ই দিন ও রাতে বগুড়া সদর থানা পুলিশ সহ বিভিন্ন ইউনিটের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাড়ি তল্লাশীর নামে হয়রানি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছে। এ ছাড়া আছিয়া বেগমের স্বামী মাহবুবুর রহমান ও শাপলা বেগমের স্বামী মিলন হোসেনকে খোজা-খুজি করতে থাকে। অথচ তারা ঐ মামলায় তাদের নাম নেই। এমতাবস্থায় ঐ সব পরিবারের নারী ও শিশুরা আতঙ্কের মধ্যে জীবন-যাপন করছে। আরও বলা হয় এলাকার কতিপয় কুচক্রী ব্যক্তিরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মিথ্যা তথ্য প্রদান করে নিরীহ মানুষদের হয়রানী ও ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের অন্তরায় সহ ভিন্নখাতে প্রবাহের অপচেষ্টা হতে পারে। এ অবস্থায় অহেতুক হয়রানি থেকে বাঁচতে পুলিশ সুপারের সহায়তা কামনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)ও মিডিয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ফয়সাল মাহমুদ বলেন, অভিযোগের কপি এখনো আমাদের হাতে আসেনি। গুরুত্বপূর্ণ মামলার আসামির বাড়িতে বিভিন্ন তথ্য উদঘাটনে পুলিশ তল্লাশীতে যাবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কাউকে অহেতুক হয়রানি করার সুযোগ নেই। এ ধরণের অভিযোগ এলে তদন্ত করে দেখা হবে।