গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার গাবতলীতে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এক সপ্তাহর মধ্যে ধান কাটা শুরু হবে। ভালো ফলন হওয়ায় খুশি কৃষকরা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় চলতি মৌসুমে ১৬০০শত হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৩১৯ মেঃ টন। উপজেলাব্যাপী লক্ষ্যমাত্রা চাইতেও বেশি উৎপাদন হবে বলে আশাবাদী। কৃষি অফিস জানিয়েছে আউশ ধান চাষে খরচ কম,বোরো কাটার পরে এবং আমন ধান রোপনের পূর্বে জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়ে থাকে। চাষীদের মতে বোরো ধান ঘরে উঠানোর পর কৃষি মাঠ ও কৃষক উভয়েই অবসরে থাকেন তাই ফসলটিকে অবসরি ফসল বলে আখ্যায়িত করেছেন গ্রাম বাংলার চাষীরা। এলাকায় ব্রি-৪৮,ব্রি-৫৫,ব্রি-২৮, ধানী গোল্ড,হিরা-২,বিআর-২৩ এ সব জাতের ধান চাষ করেছেন চাষীরা। এ ধান গুলোর আয়ুকাল ৯৬ থেকে ১১০ দিনের মত। মার্চের শেষার্দে বীজ বপন,মে মাসে চারা রোপন,আগষ্ট মাসে ধান কেটে আমন ধান সহজে রোপন করা যায়। অল্প সেচে স্বল্প খরচে ফসলটি খুবই লাভ জনক। তাই আউশ ধানে চাষ ক্রমেই বাড়ছে। উপজেলার নারুয়ামালা ইউনিয়নের জয়ভোগা গ্রামের কৃষক লায়েল জানায় এ বছর ২ বিঘা জমিতে আউশ ধান চাষা বাদ করেছি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে সময় মত জমি পরিচর্যা করায় ভালো ফলনের আশা করছি। নেপালতলী গ্রামের কৃষক ফজলুল হক জানায় আউশ ধান চাষে জমিতে পানি সেচ দিতে হয়না, বৃষ্টির পানিতেই এ ধান হয়। পোকা মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায় উৎপাদন খরচও কম। এবার প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানায় ব্রি-৪৮,ব্রি-৮২ ব্রি-৫৫ জাতের ধানসহ বেশকিছু হাইব্রিড ধানের চাষাবাদ হওয়ায় এ বছর আউশ ধানের ফলন লক্ষ্য মাত্রা ছেরে যেতে পারে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায় ফসল উৎপাদন ভালো হয়েছে।