শিরোনাম :
দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর আমিন হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাবেক সরকারি কর্মচারি আ. রহমান আমিন হত্যা মামলায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও অপর চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবদুর রহিম সোমবার সকালে আসামিদের উপস্থিতিতে আদালতে এ রায় দেন।

 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কাশেম, নজরুল, লিটন ও সাত্তার। যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন, খোকন, সিরাজ উদ্দিন ওরফে সিরাজ, কান্তু মিয়া ও সাহেদ।

 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক তদারক সহকারী কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার কালোপানি বজরা গ্রামের আ. রহমান আমিন চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পর কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের শিংগুয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। শিংগুয়া গ্রামের মৃত আ. কাদিরের ছেলে কাশেম, সিরাজ ও নজরুলের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল।

 

২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল ভোরে আসামিরা আ. রহমানের বসতঘরে হামলা করেন। তারা তাকে ছুরিকাঘাতে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। হামলায় আহত হন নিহতের স্ত্রী মোছা. নূরুন্নাহার। এ সময় ঘরের টাকা, স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যান হামলাকারীরা।

 

এ ঘটনায় ওই দিনই নিহতের স্ত্রী নূরুন্নাহার ওরফে রাবেয়া বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়।

 

২০০৮ সালের ২৮ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম ৮ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ গঠনের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়। আদালতে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

 

পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক বলেন, এ রায়ে তারা সন্তুষ্ট। এতে করে মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে।

 

অপরদিকে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট অশোক সরকার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023