শিরোনাম :
পলাশবাড়িতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম বর্ষ পালিত শাজাহানপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঝিরা ইউনিয়ন জামায়াতের লিফলেট বিতরণ শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে মহাস্থানে নিসচা’র সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ছোনকা বাজার আন্ডারপাসের দুই পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, শোভাবর্ধন গাছ রোপণ শাজাহানপুরে মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বেতগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন শিবগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরণে গাবতলীতে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় জাতীয় কবি নজরুল এর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

নন্দীগ্রামে বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচের সর্বনাশ, বেশি দামেও চাষির হাসি নেই

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় কয়েক দিন টানা বৃষ্টিতে বেশির ভাগ মরিচগাছ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ফলনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তাই বেশি দাম হলেও ব্যাপক লোকসান দিতে হচ্ছে চাষিদের। পাইকারি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। এমন দামে উপজেলার মরিচ চাষিদের খুশি হওয়ার কথা হলেও তাঁদের মুখে হাসি নেই।

 

মরিচ চাষিরা জানান, কয়েক দিন টানা বৃষ্টি হওয়ায় বেশির ভাগ মরিচের খেতে পানি জমে যায়। সেই মরিচের জমিতে শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দেয়া হয়। তারপরেও বৃষ্টির পানি ও আশপাশের জমির পানি চুয়ে আসছে। এতে অনেক খেতের মরিচগাছ মরে যাচ্ছে। কিছু জমির মরিচগাছ বেঁচে থাকলেও সেগুলোতে মরিচ নেই বললেই চলে। আবার কিছু খেতের গাছ বেঁচে গেলেও সেগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর ফলে এ উপজেলায় কাঁচা মরিচের ফলনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

উপজেলার থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের গুলিয়া গ্রামের মরিচ চাষি শামছুর রহমান তাঁর মরিচের খেত দেখিয়ে বলেন, ‘দুই বিঘ্যা জমিতে মরিচের আবাদ করছিল্যাম। বৃষ্টিতে আমার গাছ মইর্যা য্যাচ্ছে। এবার দুই হাজার টেকার মরিচও বেচব্যার পারি নাই।’

একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এ বছর হাটে মরিচের দাম বেশি। এতে আমরাও খুশি। কিন্তু বিষ্টিতে মরিচগাছের সব্বনাশ হয়া গ্যাছে।’ এখন এক কেজি মরিচই ব্যাচবার পারি নাই। জমিতে গাছ থাকলিউ তাতে মরিচ নাই।’

উপজেলার বাদলাশন গ্রামের মরিচ চাষী দুলাল হোসেন জানান, তিনি ১২ বিঘা জমিতে মরিচ আবাদ করেছিলেন। এরমধ্যে বৃষ্টিতে ৩ বিঘা জমির মরিচ গাছ নষ্ট হয়েছে। প্রতি বিঘায় তাঁর মরিচ গাছ লাগানো থেকে শুরু করে তোলা পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। বাজারে দাম বেশি হলেও জমিতে মরিচ গাছ নষ্ট হওয়ায় হাসি নেই তার মতো অনেক মরিচ চাষির।

এ প্রসঙ্গে নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: আদনান বাবু বলেন, ‘এবার উপজেলায় ২৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। বৃষ্টিতে মরিচের খেত নিমজ্জিত হয়েছিল। তবে সঙ্গে সঙ্গে মরিচ চাষিরা শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দেয়ায় মরিচগাছ পুরোপুরি নষ্ট হয়নি। ইতিমধ্যেই অনেক মরিচগাছে ফুল আসতে শুরু করেছে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023