প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও আনোয়ার হোসেন রানা এক যুক্ত বিবৃতিতে গত রবিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে তথাকথিত সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, সংবাদ সম্মেলনে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। পদলোভী কিছু ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থের নামান্তর এই সংবাদ সম্মেলন। আওয়ামী লীগ একটি সুশৃ*খল রাজনৈতিক সংগঠন। যার বিভিন্ন পর্যায়ের শক্তিশালী কাঠামো রয়েছে। রয়েছে স্তর ভিত্তিক কাঠামো বিন্যাস। উপজেলা আওয়ামী লীগের দেখভালের জন্য রয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা। যারা সার্বক্ষণিক সংগঠনের খোঁজখবর রাখেন এবং দেশরতœ শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে সদা সচেষ্ট থাকেন।
নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ সবসময় সেই কাঠামো বিন্যাস মেনেই সংগঠন পরিচালিত করে আসছে। ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সকল উপজেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তারই প্রেক্ষিতে ৯ নভেম্বর ২০১৪ সালের তৎকালীন সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের পুর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। পরবর্তীতে কমিটির সভাপতি জাহেদুর রহমানের মৃত্যুতে ১ নং সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও আনিছুর রহমান আনিছের বহিষ্কারের পর ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রানাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। যা গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ কর্তৃক স্বীকৃত। কিন্তু গুটি কয়েক পদ লোভী ও বিতর্কিত ব্যক্তি সংগঠনের ভাবমুর্তি ক্ষুণœ এবং দ্রুত পদ লাভের অভিলাষে এরূপ সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। যখন যার স্বার্থে প্রয়োজন তখন নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাহায্য সহযোগিতা নিয়েছে। যখন প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় তখন তারাই আবার আমাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটায়। যে ব্যক্তি শফিউল আলম বুলুর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছিল সেই আজিজুর রহমান শফিউল আলম বুলুর পুত্র রেজাউল আশরাফ জিন্নাহর লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। তাছাড়া প্রয়াত সভাপতি জাহেদুর রহমানের বিরুদ্ধে একই ব্যক্তির কুৎসা রটানোর বহু অভিযোগ রয়েছে। নৌকা মার্কার বিরুদ্ধে নির্বাচন করার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত। এরা সংগঠন করে নিজেদের স্বার্থে। পেলেই ভালো না পেলেই খারাপ। এটাই এদের চরিত্র। যা নন্দীগ্রাম উপজেলাবাসী খুব ভালো করেই জানে। ত্যাগীদের কখনো মিছিল সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করে বলতে হয় না আমরা ত্যাগী। কারণ ত্যাগীদের সবাই চেনে, জানে এবং মূল্যায়ন করে। আর আওয়ামী লীগ এসব মেনে চলে বলেই আজও মানুষের মাঝে এই সংগঠন টিকে রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে কখনো আওয়ামী লীগের কমিটি হয় না। কমিটি হয় কাউন্সিলের মাধ্যমে। যারা এটাও জানে না তারা নিজেদেরকে গঠনতন্ত্রের ধারক-বাহক বলছে। যা অত্যন্ত হাস্যকর। যারা নিজেদেরকে প্রকৃত আওয়ামী লীগ দাবি করে তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ রয়েছে তা সকলেরই জানা। নেতৃবৃন্দ এসব পদলোভী ব্যক্তিদের হীন স্বার্থ চরিতার্থের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে এদের ব্যাপারে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।