শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত

আসল খলনায়ক জিয়া: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হাত ছিল বলে আবারো অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান আসল খলনায়ক ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

 

 

রোববার সকালে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনের এই সভায় গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পেছনে আসল খলনায়ক ছিল জিয়াউর রহমান। তার সঙ্গে ছিল মোশতাক। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াকে করা হলো সেনা প্রধান। খুনি মোশতাক হয়ে গেল রাষ্ট্রপতি। এ থেকেই বোঝা যায়, মোশতাক এবং জিয়াই এই হত্যায় জড়িত ছিল।

 

মীর জাফর যেমন ইংরেজদের সঙ্গে মিলে বিশ্বাসঘাতকতা করে নবাব সিরাজ উদ দ্দৌলাকে হত্যা করেছিল, মোশতাকও জিয়ার সঙ্গে মিলে সেই কাজটাই করেছিল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিরাজ উদ দ্দৌলাকে হত্যার পর ইংরেজরা নবাব বানিয়েছিল মীর জাফরকে। কিন্তু সে তিন মাসও নবাব থাকতে পারেনি। মোশতাকেরও সেই পরিণতিই হয়েছিল। সেও বেশিদিন ক্ষমতায় টিকতে পারেনি। তাকে সরিয়ে দিয়ে একই সাথে সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতি হয়ে গেল জিয়া নিজে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমান যে জড়িত, সেটা খুনিরাও বলেছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

 

প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ কলে বলেন, যিনি আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, একটি জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছিলেন তাকেই খুনিরা হত্যা করল। পাকিস্তানিরা পারেনি। কিন্তু জাতির পিতার যাদের প্রতি বিশ্বাস ছিল ভালোবাসা ছিল তারাই জাতির পিতাকে হত্যা করে বিশ্বাসঘাতকতা করলো।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্টে শুধু হত্যাকাণ্ডই ঘটানো হয়নি। ঘাতকদের উদ্দেশ্য ছিল, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ধ্বংস করা। জিয়া বেছে বেছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সেনা অফিসারদের খুন করেছে। খালেদা জিয়াও একই পথ অনুসরণ করেছে।

 

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতির পিতাকে খুনিরা হত্যা করলেও তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। সেই আদর্শের পথ ধরেই আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণই তার সরকারের একমাত্র লক্ষ্য বলে জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শোকাবহ যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করা হয়। সূচনা বক্তব্য দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এরপর বঙ্গবন্ধুর কর্মময় ও সংগ্রামী জীবনের ওপর একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন আসাদুজ্জামান নূর এমপি।

 

এছাড়া আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023