শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

অ্যাম্বুলেন্সেও জীবিত ছিলেন সুশান্ত, নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্যে তোলপাড়!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০

বিনোদন ডেস্ক

সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড়। বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। সুশান্তের মৃতদেহ তার বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে এই অ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। তার দাবি, অ্যাম্বুলেন্সে সুশান্ত জীবিত ছিলেন।

 

একটি বৈদ্যুতিন চ্যানেলে তিনি জানান, যারা সুশান্তের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে ফোন করেছিলেন তারা ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছিলেন। তার দাবি, অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় সুশান্ত জীবিত ছিলেন। তিনি নাকি দেখেছেন, অভিনেতার দেহ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। ওই চালকের দাবি, সাধারণত আত্মহত্যা করলে মৃতের শরীর পুরো হলুদ হয়ে যায় না।

অ্যাম্বুলেন্সের চালক অক্ষয় ভান্ডগরের প্রশ্ন, যে মানুষ আত্মহত্যা করেছেন তার পা মোড়া থাকবে কেন? তিনি জানান সুশান্তের পায়ের নানা জায়গায় থেঁতলে যাওয়ার মতো আঘাত দেখেছেন। তার আরও প্রশ্ন আত্মহত্যা করলে এই দাগ কেন থাকবে? অ্যাম্বুলেন্সের চালক অক্ষয়ের এই বক্তব্য সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নিঃসন্দেহে উত্তাপ বাড়াল। ভান্ডগর জানান, অ্যাম্বুলেন্সে আত্মহত্যা করা বহু মানুষের মৃতদেহ তিনি দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করেই তার মনে হয়েছে এই মৃত্যু আত্মহত্যা নয়।

 

সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃতদেহ নামিয়ে দিয়ে আসার পর থেকেই তিনি হুমকি ফোন পাচ্ছেন বলে আগে মুম্বাইয়ের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তিনি। কে বা কারা তাকে হুমকি দিচ্ছেন, তা জানা না থাকলেও একটি আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ক্রমাগত ফোন করা হচ্ছিল তাকে। কয়েক দিন আগে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন অক্ষয় ভান্ডগর। যেখানে তিনি দাবি করেন, সুশান্তের মৃতদেহ বহনের জন্য মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে ফোন করা হয় তাকে। পুলিশের ফোন পেয়ে এসএসআর-এর মৃতদেহ বহন করেন নিজের অ্যাম্বুলেন্সে করে।

 

তবে নেটাগরিকদের একাংশের বক্তব্য, সুশান্ত জীবিত জেনেও তিনি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না কেন? পুলিশও দেখেছিল, অভিনেতার আঙুল নড়ছে। তা সত্ত্বেও কেন তার মুখে চাদর চাপা দিয়ে দেওয়া হল? শ্বাস নিতে যাতে আরও কষ্ট হয়? অ্যাম্বুল্যান্স চালকের এই নতুন দাবি সুশান্ত তদন্তে এবার অন্য মাত্রা যোগ করল। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023