নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালানোর সরকারি নির্দেশ মানা হচ্ছে না সিএনজি-অটোরিকশায়।
জানা গেছে, জীবন ও জীবিকার তাগিদে সরকার লকডাউন কিছুটা শিথিল করেছে। খুলে দেয়া হয়েছে যানবাহনসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজি-অটোরিকশা ও অটোভ্যান। ছোট ছোট এসব যানবাহনে যাত্রী চাপাচাপি করে বসে গন্তব্যস্থলে যাচ্ছেন। আর চালক বা যাত্রী কেউ মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। মাস্ক ব্যবহারও দিন দিন কমে যাচ্ছে। ফলে লকডাউন শিথিল করার ক্ষেত্রে সরকারের দেয়া বিধি-নিষেধ ও শর্ত কোথাও মানা হচ্ছে না। এতে করোনা ঝুঁকি অনেক বাড়ছে।
এ দিকে ক্রেতারা দোকানে দোকানে ভিড় করছেন। সেখানেও সামাজিক দূরত্ব কেউই মানছে না। পাশাপাশি অনেকে প্রায় গা ঘেষে দাঁড়িয়ে আছেন। দোকানে থাকা কর্মচারি মুখে কোন মাস্ক নেই। বাজারের প্রায় সব দোকানেই একই চিত্র। বাজারের চিত্র দেখে বুঝা মুশকিল যে দেশে করোনাভাইরাস নামে ভয়াবহ কোন সংক্রমণ ব্যাধি আছে।
অটোচালক দুলাল হোসেন বলেন, কেউ তো মাস্ক ব্যবহার করে না। মাস্ক পকেটে আছে। প্রয়োজন হলে ব্যবহার করবো। করোনার ভয়ে ঘরে থাকলে পেট চলবে না। রাব্বি হাসান নামে একজন যাত্রী বলেন, প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হচ্ছে। নিজের গাড়ি নেই। তাই ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অটোরিকশায় যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, যারা স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরুত্ব মানছে না তাদেরকে জরিমানা করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা করার চেষ্টা করছি।