স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার প্রবেশমুখে বাঁশের প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে চলাচল করছে অনেকেই
বগুড়া পৌরসভার নয়টি এলাকাকে রেডজোন ঘোষণা করে সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও সেসব জায়গায় জনসমাগম এবং যান চলাচল বন্ধ হয়নি। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেও মানুষের চলাচল বন্ধ করতে পারছেন না। সোমবার (২২ জুন) জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহমদ জানান, রেডজোনে জনসমাগম ও যানবাহন চলাচল বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে প্রশাসন আরও কঠোর হবে।
রেডজোন ঘোষিত এলাকাগুলো হলো– বগুড়া পৌরসভার চেলোপাড়া, নাটাইপাড়া, নারুলী, সুত্রাপুর, মালতিনগর, জলেশ্বরীতলা, হাড়িপাড়া, ঠনঠনিয়া ও কলোনি।
সোমবার বিকালে শহরের জলেশ্বরীতলা, মালতিনগর, সুত্রাপুর ও ঠনঠনিয়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মুখে বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা মোটামুটি বাড়িতে থাকলেও বহিরাগতদের চলাচল বন্ধ হয়নি। কোনও এলাকায় পুলিশ দেখা যায়নি। বাঁশ সরিয়ে জনগণ ও যানবাহন চলাচল করছে।
শহরের মালতিনগর এলাকার কলেজ শিক্ষিকা সানজিদা ফারহানা শাপলা জানান, রেডজোন ঘোষণার পর থেকে তারা কষ্ট করে বাড়িতে রয়েছেন, কিন্তু বহিরাগতরা চলাচল করছে। শহরের মালতিনগর, বকশিবাজার, জলেশ্বরীতলা ও সুত্রাপুর এলাকার কয়েকজন তরুণ জানান, বহিরাগতদের ঠেকাতে তারা বাঁশ দিয়ে রাস্তা বন্ধ করেছেন। এরপরও জনগণ ও যানবাহনগুলো বাঁশ সরিয়ে যাতায়াত করছে। তারা বহিরাগত ও যানবাহন চলাচল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, করোনাভাইরাসে বেশি আক্রান্ত এসব এলাকায় জনসমাগম ও যানবাহন চলাচল বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা আদায়, জনগণকে সতর্ক ও মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে।