নন্দীগ্রাম (বগুড়া) থেকে আব্দুল হাকিম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাছানাত আলীর বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র সহ নানা অভিযোগ এনে নন্দীগ্রামের নুন্দহ মাদ্রাসা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। এদিকে নুন্দহ ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার গভর্ণিং বডির সদস্যদের ডেকে উপস্থিত করতে না পেরে ফিরে গেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। গভর্ণিং বডির সদস্য ও শিক্ষকরা উপস্থিত না থাকায় সভা ভন্ডুল হয়ে যায়। এডিসির নেতৃত্বে স্থানীয় সাংসদ মোশারফ হোসেনের ভাই জামাল উদ্দিন, মুক্তারিন সহ গ্রামের গুটিকয়েক লোকজন নিয়ে গোপনে মাদ্রাসায় বৈঠক ডেকেছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় লোকজন। রোববার (১৪ জুন) বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের রুপিহার বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধনে অংশ নেন নুন্দহ, খেংশহর সহ প্রায় ১০ গ্রামের নারী পুরুষ। নুরুল ইসলাম, আবু কাশেম, ফরিদ উদ্দিন, আবু তাহের, সবুজ সোনার, আবু সাইদ, আব্দুল মতিন, বাদশা মিয়া, ছদর উদ্দিন, সিকান্দার আলী সহ স্থানীয়রা মানববন্ধনে অভিযোগ করেন, নুন্দহ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা ধ্বংসের খেলা শুরু হয়েছে। বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুম আলী বেগ বর্তমান গভর্ণিং বডির সভাপতি। গোপন বৈঠক সহ মাদ্রাসা ধ্বংসের মুলহোতা হাছানাত আলীর সাথে হাত মিলিয়েছেন এডিসি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাছানাত আলী এই মাদ্রাসার কেউ না। তবে কেন হাছানাত আলীর হয়ে কাজ করছেন এডিসি। হাছানাত আলী ছাত্রজীবনে জামায়াতে ইসলামী ছাত্রশিবির করতেন, বর্তমানে জিয়া পরিষদের শীর্ষ নেতা হলেও হাছানাত আলী নিজেকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে মানববন্ধনে অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী। মাদ্রাসার সভাপতি পদ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুম আলী বেগ এর পদত্যাগ দাবি করেন তারা।