শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত

নন্দীগ্রামের হাছানাত আলী বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা পরিচয়ে তদবির করেই কোটিপতি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১০ জুন, ২০২০

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিতর্কিত শিক্ষক নুন্দহ গ্রামের বাসিন্দা হাছানাত আলী নিজেকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা পরিচয় দিয়ে তদবির করেই কোটিপতি বনে গেছে। শিক্ষা সেক্টরে সিন্ডিকেট গড়ে তোলে এক সময়ের ছাত্র শিবির নেতা বর্তমানে জিয়া পরিষদের শীর্ষ পদে থাকা হাছানাত আলী দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, হাছানাত আলী বগুড়া সরকারি মোস্তাবিয়া মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা শেষ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে। পড়াশোনা শেষ করে জামায়াত-বিএনপির বিশেষ তদবিরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি ত্যাগ করে জিয়া পরিষদের নেতৃত্বে আসে। পরবর্তীতে বিশেষ তদবিরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে।

 

২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসলে শিক্ষা সেক্টরে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে নিজেকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছে। এই পরিচয়ে শিক্ষা সেক্টরের বিভিন্ন দপ্তরে শুরু করে তদবির বাণিজ্য। বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেকটা জিম্মি করে রেখেছে। অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারি হাছানাত আলীর কথার বাইরে কিছু করতে পারে না। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে সংখ্য। টার্গেটকৃত পুলিশ কর্মকর্তা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে খবর নিয়ে, সেই কর্মকর্তার শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে সর্ম্পক তৈরি করে। যার ফলশ্রুতিতে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে নাশকতা মামলায় হকুমের আসামি হওয়া স্বত্ত্বেও চার্জশিট থেকে নাম কেটে নিতে সক্ষম হয়। আর এ কারণেই হাছানাত আলীর দাম্ভিকতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এদিকে পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল হাছানাত আলী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তদবির করে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছে। বগুড়া শহরে ও রাজশাহী মহানগরে রয়েছে একাধিক ফ্লাট। অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান হাছানাত আলীর শিক্ষকতা পেশার বাইরে কোনো ব্যবসা বানিজ্য নেই। অথচ তিনি এখন কোটিপতি। রাজশাহী থেকে ঢাকায় প্লেনে ছাড়া যাতায়াত করে না হাছানাত আলী। ফলে এলাকাবাসী হাছানাত আলীর অর্থের প্রকৃত উৎস জানতে চায়। বিষয়টি সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাসহ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন সচেতনেরা।
এ প্রসঙ্গে হাছানাত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023