শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত

স্বর্ণের দাম কমেছে বিশ্ববাজারে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ৭ জুন, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট

করোনাভাইরাস ঘিরে অর্থনৈতিক মন্দায় সোনার উত্থান-পতন চলছে আন্তর্জাতিক বাজারে। যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জেগে উঠেছে শেয়ারবাজারও। এতে শুক্রবার সোনার দাম কমে দুই মাসে সর্বনিম্ন হয়। এর মধ্য দিয়ে গত এক সপ্তাহে মূল্যবান এ ধাতুর দাম কমেছে ৪ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র বা বিশ্ব অর্থনীতি সাধারণত মন্দার দিকে গেলে সোনার দাম বাড়তে থাকে। কারণ তখন বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ হিসেবে সোনা ক্রয় করে মজুদ করে রাখার জন্য। আর অর্থনীতি চাঙ্গা হলে সোনার দাম কমে। কারণ তখন বিনিয়োগকারীরা সোনা ছেড়ে শেয়ারবাজারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

 

গোল্ড নিউজলেটারের সম্পাদক ব্রিয়েন লান্ডিন বলেন, ‘অর্থনীতির সব ডাটা ও বড় নির্দেশকগুলো যখন নিম্নমুখী তখন আমেরিকায় চাকরি বাড়ছে, এটা ছোট হলেও এ সময়ের জন্য বড় খবর। ফলে মানুষ সোনা ও রুপা মজুদ না রেখে বিক্রি করেছে, যা দাম কমাতে ভূমিকা রেখেছে।’ শুক্রবার দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ২৫ লাখ চাকরির সুযাগ তৈরি হয়েছে। এতে দেশটিতে বেকারত্ব কমে হয়েছে ১৩.৩ শতাংশ।

 

শুক্রবার বৈশ্বিক অগ্রিম বাজারে সোনার দাম ৪৪ দশমিক ৪০ ডলার বা ২.৬ শতাংশ কমে হয়েছে প্রতি আউন্স এক হাজার ৬৮৩ ডলার। পুরো সপ্তাহের হিসাবে সোনার দাম কমেছে প্রায় ৩.৯ শতাংশ। এর পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে ৫.৫ শতাংশ। বিশ্ববাজারের পাশাপাশি সোনার দাম কমেছে ভারতেও। শুক্রবার ভারতে ১০ গ্রাম সোনার দাম ৪৬ হাজার ৩৫০ টাকায় নেমে যায়। এদিন সোনার দর প্রায় ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

 

ইকোনমিস্টের এক জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে ৭২ লাখের বেশি লোক চাকরি হারাবে। এতে এপ্রিলে বেকারত্বের হার বেড়ে হবে ১৯ শতাংশ, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী রেকর্ড ১৪.৭ শতাংশের বেশি। কিন্তু নতুন কর্মসংস্থান হওয়ায় সে আশঙ্কা আপাতত দেখা যাচ্ছে না, যার হাওয়া লেগেছে সোনার বাজারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023