শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বুধবার থেকে ৬৫ দিন সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

দেশের সামুদ্রিক মাছের সুষ্ঠু প্রজনন ও সমুদ্র সম্পদ সংরক্ষণে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও বুধবার (২০ মে) থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত মোট ৬৫দিন সব প্রকার মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

 

এ লক্ষ্যে নৌযান কর্তৃক সব প্রজাতির মৎস্য ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটল ফিস প্রভৃতি) আহরণ বন্ধ। একই সঙ্গে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

 

মঙ্গলবার (১৯ মে) এ বিষয়ে নির্দেশনা পত্র জারি করে নৌবাহিনী সদর দপ্তর, জননিরাপত্তা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স, কোস্টগার্ড, র‌্যাব সদর দপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, নৌপুলিশ, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, সমুদ্র উপকূলীয় ১৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জেলা ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরে পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়।

 

নির্দেশাপত্রে বলা হয়েছে, সমুদ্রগামী সব চ্যানেলের উৎসমুখে মৎস্য নৌযানের গমন বারিত করা, মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকরণের ব্যাপক প্রচার, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, মৎস্য আড়ৎ, বরফকল ইত্যাদিতে নিষিদ্ধকালীন মৎস্য অবতরণ না করা, কেনা-বেচা বন্ধ থাকবে। বরফ সরবরাহ না করা, মৎস্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে সমন্বয় সেল খোলা, নিষিদ্ধকালীন বিদেশি মৎস্য নৌযান যাতে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মৎস্য আহরণ করতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

এছাড়া সমুদ্রগামী জেলেদের খাদ্য সহায়তা সুষ্ঠু ও যথাযথ বিতরণ নিশ্চিত করা এবং জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কর্তৃক জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষিদ্ধকাল যথাযথ বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এ সব নির্দেশনার আলোকে মৎস্য অধিদপ্তর বেতার-টেলিভিশনে বিশেষ বার্তা প্রচার, স্থানীয় পর্যায়ে মাইকিং, ব্যানার প্রদর্শন, লিফলেট ও পোস্টার বিতরণ, স্থানীয় প্রচারণায় কমিউনিটি রেডিওকে সম্পৃক্তকরণ, সমুদ্রে অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, মাছঘাট, আড়ত ও বাজার মনিটরিং, সার্ভেল্যান্স চেকপোস্ট থেকে মৎস্য নৌযান মনিটরিং, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার, কন্ট্রোল রুম খোলা, বাণিজ্যিক ট্রলারের সমুদ্র যাত্রা আদেশ দেওয়া বন্ধকরণ, সমুদ্রে অবস্থানরত সব ট্রলার ফিশিং বোট  ১৯ মের মধ্যে ফিরে আসা নিশ্চিতকরণ, উপকূলীয় বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা আয়োজনসহ নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

 

এদিকে এসব কার্যক্রম যথাযথ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অনলাইন সভার মাধ্যমে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

 

এ বিষয়ে তিনি বলেন, সমুদ্রে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, মাছকে বেড়ে উঠতে দেওয়া ও অবৈধ মাছ আহরণ বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই। কাউকে আইনের বাইরে কোনো কিছু করতে দেওয়া হবে না। এ কাজে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, নৌপুলিশসহ স্থানীয় অংশীজনদের সহায়তা কামনা করেন তিনি। এ সময়ে সমুদ্রগামী চার লাখ ১৯ হাজার ৫ শত ৮৯টি জেলে পরিবারের জন্য ইতোমধ্যে ২৩ হাজার ৪৯৬ দশমিক ৯৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023