স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সোমবারের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, করোনায় দেশে নতুন করে রেকর্ড সংখ্যক ১০৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। কিন্তু তবুও রাজধানীতে বেড়ে চলেছে যানবাহন চলাচল। একমাত্র বাস ছাড়া রাজধানীতে চলছে সব ধরণের যানবাহন।
সরকারের ১৬ মে পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা থাকলেও মানা হচ্ছে না। অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিংয়ের চালকরাও মানছেন না নিষেধাজ্ঞা। ঢাকা ও এর চারপাশের সব এলাকায় চুক্তিতে চলছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার। গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করায় বাড়ছে করোনার ঝুঁকি।
সোমবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় বাস ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলেছ। গার্মেন্টস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় সড়কে মানুষের চাপ বেড়েছে বহুগুণ। বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে ঢাকায় ঢুকছেন কর্মজীবীরা। শুধু এ পথেই নয়, প্রতিটি মহাসড়ক দিয়েই রাজধানীতে ঢুকছেন তারা।
কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞায় রাস্তায় নেই কোন বাস। তাই ভরসা রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, ট্রাক, পিকআপ বা প্রাইভেটকার। সামর্থ অনুযায়ী যে যেভাবে পারছে ব্যবহার করছে এসব পরিবহন। রাজধানী ও আশেপাশের এলাকায় স্বাভাবিক সময়ে যারা উবার, পাঠাও বা সহজসহ বিভিন্ন রাইড শেয়ারিংয়ের চালক ছিলেন, তারা এখনও সড়কে সচল। তবে, যাত্রী পরিবহন করছেন চুক্তিতে।
লকডাউনে দীর্ঘদিন সড়কে চলেনি গাড়ির চাকা। তাই অনেক চালকের সংসারে নেমে এসেছে অভাব। ক্ষুধাই তাদের বাধ্য করেছে গাড়ি চালাতে। তবে, গাদাগাদি করে যেভাবে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে তাতে বাড়ছে করোনার ঝুঁকি।
এসব দেখভালে সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পুলিশের অবস্থান। মানুষের চাপে এসব যানবাহন সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
ধানমন্ডি এলাকায় কর্তবরত ডিমপির এক এসই আই বলেন, সড়কে বাস ছাড়া অন্যান্য যানবাহন সীমিত আকারে চলছে। সামাজিক দূরত্ব মানতে সবাইকে সতর্ক করছি। এছাড়া রাস্তায় রাইড শেয়ারিংয়ের মাঝে মাঝে কিছু বাহন দেখা যায়। তাদের রাস্তায় না থাকতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু মানুষের চাপে এসব যানবাহন সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।