শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

করোনা আক্রান্তের ৫৮ ভাগই ঢাকার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ১০ মে, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

দেশে করোনা সংক্রমণে রাজধানী ঢাকা এখন শীর্ষে। দেশে শনিবার পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৭৭০ জন। এদের মধ্যে ৫৮ দশমিক ২৮ ভাগই ঢাকার বাসিন্দা। কেবল ঢাকা নয়, এই বিভাগের অন্য জেলাগুলোতেও সংক্রমণ বেশি। ঢাকা বিভাগে সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ১৭৭ জন। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩৬ জন। মারা গেছেন ৮ জন।

 

শনিবার করোনায় মৃতদের তালিকায় রয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান সহকারী খলিলুর রহমান। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে শনিবার সকালে মারা যান। এর আগে আরও একজন পরিচালকের মৃত্যু হয়।

 

দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যেও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশের ১৫০৯ জন পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন পাঁচজন।

 

করোনা সংক্রমিত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য তেজগাঁও এলাকায় ২৫০ বেডের একটি হাসপাতাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

করোনার প্রবণতা বিশ্লেষণে সরকার গঠিত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য অধ্যাপক শাহ মনির হোসেন বলেছেন, তাদের টিম পর্যবেক্ষণ করে যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে মনে করা হচ্ছে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহটি হবে সংক্রমণের চরম সময়। জুনের শেষ সপ্তাহ নাগাদ ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে নেয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই অভিজ্ঞ চিকিৎসক।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে দিনে ৬৫ হাজারের মত মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। আর আক্রান্তের সংখ্যা এমনটা হলে এর পাঁচ ভাগের এক ভাগকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হবে।

 

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির উপদেষ্টা ডা. এবি এম আবদুল্লাহ বলেছেন, যেহেতু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করা হয়েছে এখন এর প্রভাবে যদি সংক্রমণ বেড়ে যায় তখন আবারো কঠোর লকডাউন দেয়া হবে। এমন কি প্রয়োজনে কারফিউ দেয়া ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023