শিরোনাম :

সৌদি থেকে ফিরছেন ওমরাহ যাত্রীসহ ৩৬৬ বাংলাদেশি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই সৌদি আরব থেকে ফিরছেন ৩৬৬ জন বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ১৩২ জন সেখানে আটকে পড়া ওমরাহযাত্রী এবং বাকি ২৩৪ জন সৌদি আরবের ডিপোর্টেশন সেন্টারে (অবৈধ সন্দেহে স্বদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায়) থাকা বাংলাদেশি কর্মী।

 

সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাদের।

 

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ। তিনি বলেন, এসব বাংলাদেশির স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই বিমানে তোলা হয়েছে। কারও শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ধরা পড়েনি।

 

তবে সৌদি আরবে করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত সেখানে ১৫ জন বাংলাদেশি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলেও জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি উল্লেখ করেন, দেশটিতে এখন পর্যন্ত শতাধিক বাংলাদেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর জানা গেছে।

 

এমন অবস্থায় দেশে ফেরত আসা এসব বাংলাদেশিকে প্রাতিষ্ঠানিক নাকি হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে জানতে চাইলে গোলাম মসীহ বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশে যারা আছেন তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানায়, বুধবার সকালে সৌদি এয়ারলাইন্সের ওই বিশেষ ফ্লাইট জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করার কথা।

 

জানা যায়, এই ৩৬৬ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট গত ৯ এপ্রিলই ঢাকায় আসার কথা ছিল। কিন্তু করোনার বিস্তাররোধে দেশটিতে লকডাউন ও কারফিউ জারি থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

 

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে দেশটির স্থানীয় প্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব আটকে পড়া যাত্রীদের দেশে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।

 

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট এবং মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এ যাত্রীরা দেশে ফিরতে পারছেন বলে জানিয়েছে কূটনৈতিক সূত্র।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023