স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা অফিস
করোনা দুর্যোগেও বসে নেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা এস.এম.কামাল হোসেন। ইতোমধ্যে চাল চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাও নিশ্চিত করে সংগঠনকে কলঙ্কমুক্ত করছেন।
জানা যায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা এস.এম.কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাজশাহী বিভাগে দলীয় নেতাকর্মীদের সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর রাখছেন। যে সব নেতাকর্মী ত্রানের চাল চুরির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সর্বশেষ ত্রাণের চাল চুরির অপরাধে গ্রেফতার হওয়া পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কোরবান আলী সরদারকে বাঁচানোর চেষ্টা করায় দলীয় সকল পদ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল বাতেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামালের নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। লিখিত বিবৃতিতে তারা জানান, সোমবার রাতে বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কোরবান আলী সরদার কালো বাজারে ভিজিডি ত্রাণের ২২৯ বস্তা চাল বিক্রির সময় র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন। এ ঘটনায় কেন্দ্রের নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় সকল পদ থেকে কোরবান সরদারকে বহিষ্কার করে।
গ্রেফতারের ঘটনাকে প্রশাসনের ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে তাকে নিঃশর্ত মুক্ত করতে বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপির ভাই আব্দুল বাতেন তদবির শুরু করেন। কেন্দ্রিয় আওয়ামলীগ নেতৃবৃন্দ বিষয়টি অবগত হয়ে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে জানালে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে অব্যহতি দেয়ার নির্দেশ দেন। পরে, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনর নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগ এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ সিদ্ধান্ত ১৪ এপ্রিল ২০২০ তারিখ হতেই কার্যকর হবে।