স্পোর্টস ডেস্ক
’বাংলাদেশের উইকেট-কন্ডিশন চেনা। স্পিন খেলতে আমরা শিখে গেছি।’ এই ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে জিম্বাবুয়ের বক্তব্য। শ্রীলংকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ভালো টেস্ট খেলায় জিম্বাবুয়ে আত্মবিশ্বাসীও ছিল। যদিও তারা জানতো ঘরের মাঠে এই স্পিন বিষ দিয়ে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়াকে কাবু করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েও আরও একবার টাইগার স্পিন বিষেই নীল হলো। নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম ঘূর্ণিতে মিরপুর টেস্টে চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই বাংলাদেশ তুলে নিল ইনিংস ও ১০৬ রানের বড় জয়।
চতুর্থ দিনের শেষ বেলায় বাংলাদেশ ২৯৫ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে। মুমিনুল হকের করা ১৩২ রান এবং দলের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের ২০৩ রানে ভর করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৬০ রান তোলে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে করা ২৬৫ রান শোধ দিয়ে নেয় বড় লিড। তারপরও মুশফিকের আক্ষেপ ছিল। ট্রিপল সেঞ্চুরির একটা ভালো সুযোগ এসেছিল তার সামনে। ক্যারিয়ার তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করলেও ব্যক্তিগত রানটা বড় হয়নি কোনবার।
তবে আবহাওয়া খুব একটা ভালো ছিল না। সোমবারসহ টেস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ছিল বৃষ্টির পূর্বাভাস। মুমিনুলরা তাই কিছুটা এগিয়ে থাকতে চেয়েছিলেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে থেমে থেমে ছিটে ফোঁটা বৃষ্টিও পড়েছে। কিন্তু ম্যাচে তা ফেলতে পারেনি বিশেষ প্রভাব। বরং মেঘলা দিনে নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণি প্রকট হয়ে ওঠে। মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনের শুরু থেকে জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরে বাংলাদেশি স্পিনাররা। ৫৭.৩ ওভারে ১৮৯ রানে তুলে নিয়েছে জিম্বাবুয়ের সবকটি উইকেট।