কক্সবাজারে টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তের ওপার থেকে আজও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। নাফ নদীতে স্থানীয়দের বহনকারী নৌযান চলাচল সীমিত রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিস্ফোরণের শব্দ তাদের কাছে ভূমিকম্পের মতো মনে
সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) হুমকির মুখে বান্দরবানের থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই দুটি
কক্সবাজারের হ্নীলা এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির কাছে আশ্রয়ে থাকা ৩৩০ জন বিজিপি সদস্যকে ইনানী সৈকতে আনা হয়েছে। সৈকতের নৌবাহিনীর জেটি ঘাটে তাবু টাঙিয়ে রাখা হয়েছে তাদের। বিজিপি সদস্যদের হস্তান্তর উপলক্ষে ইনানী
একদিন বিরতি দিয়েই আবারও শুরু হয়েছে মিয়ানমার সীমান্তের ওপাড়ে গোলাগুলি ও মর্টাল শেলের আওয়াজ। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর এবং রাতে কক্সবাজারের পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়া থেকে মিয়ানমারের ঢেকবুনিয়া চেকপোস্টে গোলাগুলির শব্দ
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কাভার্ড ভ্যান ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নামপরিচয় জানা যায়নি। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কচুয়া এলাকার
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির মধ্যকার সংঘাতময় পরিস্থিতিতে দেশটির আরও ৬৩ সীমান্তরক্ষী পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় বিজিপির সদস্যরা হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৬৪ জনকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। আজ বুধবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন
মিয়ানমারে চলমান সংঘাতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তুমব্রু-জলপাইতলী সীমান্তজুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মিয়ানমার বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারের জান্তা বাহিনীর সংঘাতে ছোড়া গুলি, বোমা, মর্টারশেলের গোলার আঘাতে বাংলাদেশি হতাহতের ঘটনায় ভয়ে আতঙ্কে সীমান্তবর্তী
মিয়ানমারে জান্তা সরকারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেশটির বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে বাংলাদেশ সীমান্তের গ্রামগুলো আতঙ্ক বিরাজ করছে। সীমান্তের ওপাড় থেকে ছোঁড়া গুলি ও মর্টারশেল সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে পড়ছে। এরইমধ্যে এক বাংলাদেশিসহ
দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাত। শনিবার থেকে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত-সংঘর্ষ থামছেই না। দুই বাহিনীর গোলাগুলি ও মর্টার শেলের বিকট শব্দে ভীতিকর পরিবেশ