কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২৯৯টি আসনের মধ্যে ১টি বাদে ২৯৮টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এর ভেতর ২২৪ আসনে জয়ী
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ফলে এ নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। রোববার (৭ জানুয়ারি) দিনভর ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কানাডার ফেডারেল রায় অনুযায়ী বিএনপি আবারও প্রমাণ করলো তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তাদের নির্বাচন বর্জনের আহ্বানের সঙ্গে চলমান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোনো সম্পৃক্ততা
‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জন ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সারাদেশে বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতাল কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে সোমবার
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই সফলতা দেখতে চায় বিএনপি। কঠোর কোনো কর্মসূচি না দেওয়ার পক্ষে দলটির নীতিনির্ধারকরা। ভোট বর্জনকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান তারা। এ লক্ষ্যে নেতাকর্মী, সমর্থক ও তাদের আত্মীয়স্বজন
আগামী সাতই জানুয়ারির নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও এরই মধ্যে ভোটের মাঠ থেকে একে একে সরে দাঁড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা। সর্বশেষ মঙ্গলবার দলটির পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচনে না থাকার
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে; বরং বিএনপি ও তার দোসররাই একতরফাভাবে নির্বাচনের বিরোধিতা করছে। ড. ইউনূসের দণ্ডে আওয়ামী লীগের কোনো দায় নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর কলাবাগান মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার বিকেল সোয়া ৩টায় কলাবাগান মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ সভায়
খুবই ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি এগোচ্ছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন নাশকতার দিকে যাচ্ছে। আমরা খবর পাচ্ছি, প্রয়োজনে
ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে ও রাজাকারদের নিয়ে বিএনপির জন্ম, তারা কখনো মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ