ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির ‘সন্ধান’ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে হেলিকপ্টারটি খুঁজে পেয়েছেন উদ্ধারকারীরা। দুর্ঘটনাস্থলে জীবিত কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার (২০ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সোমবার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্তের ঘটনায় কোনো আরোহীর বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। খবর এএফপির। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক খবরে বলা হয়েছে,
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির ‘সন্ধান’ পাওয়া গেছে। সোমবার (২০ মে) পূর্ব আজারবাইজানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার আসগর আব্বাস ঘোলি জাদেহ তাসনিমের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল
রাফায় হামলা হলে বহু ফিলিস্তিনির মৃত্যুর আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চলতি মাসে ইসরাইলে বোমা পাঠানো স্থগিত করেন। তবে এই বোমা ছাড় করতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে সম্প্রতি একটি বিল পাস
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের আরভিন শহরে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবন দখলে নিয়েছেন ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভকারীরা। বুধবার তারা ভবনটি ঘেরাও করে দখলে নেন। তবে পরবর্তীতে পুলিশ এসে ভবনটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। জানা গেছে,
গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছে। ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো রকেট এবং উন্নত বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালাচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফা
ইসরায়েলকে প্রায় ১০০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। চলতি সপ্তাহে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এই পরিকল্পনার কথা মার্কিন কংগ্রেসকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) এক কংগ্রেশনাল
ইউক্রেন সংকটের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য চীনের পরিকল্পনাকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, বেইজিং এই সংকটের পেছনের কারণ ভালো বোঝে। বুধবার চীনের সিনহুয়া সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক আগ্রাসন আরও তীব্র হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর গাজার জাবালিয়া এবং দক্ষিণ গাজার রাফা শহরে ভয়াবহ হামলা চলছে। হামাস এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী উভয়ই
মার্কিন মদদপুষ্ট দখলদার ইসরায়েলের একটি সেনা ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তেল আবিবের ‘হাসোমের’ নামের একটি সেনা ঘাঁটিতে এঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম