শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

গাজার হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলা থামছেই না

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৩

ইসরায়েলের নির্বিচার বোমা হামলায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে অবরুদ্ধ গাজা। ইসরায়েলি বাহিনী নির্বিচার বিমান হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র ও অসহায় মানুষদের হত্যা করছে। একের পর এক হামলা করছে হাসপাতালগুলোতে। এবার নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে তারা; যেখানে চারটি হাসপাতাল রয়েছে। এতে অন্তত আটজন মারা গেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর আল-জাজিরার

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এতে আহত হয়েছে আরও কয়েক ডজন। নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে আল-নাসের শিশু হাসপাতাল, রান্টিসি বিশেষায়িত হাসপাতাল, চক্ষু হাসপাতাল এবং মানসিক হাসপাতাল রয়েছে।

রান্টিসি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক সুলেমান কাউদ বলেন, রোববার রাতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী আমাদের কিছু কর্মীদের ডেকেছিল এবং বলেছিল যে তারা হাসপাতালের চারপাশে ফায়ার বেল্ট তৈরি করবে। কিন্তু সাড়ে ৬টার দিকে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সাইকিয়াট্রিক হাসপাতাল এবং রান্টিসি হাসপাতালের মধ্যবর্তী এলাকায় আঘাত হানে এবং কয়েকজন মেডিকেল স্টাফসহ ৩৫ জন আহত হয়। দুই ঘণ্টা পরে রান্টিসি হাসপাতালের পাশাপাশি এর দক্ষিণ-পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব দিকেও আঘাত হানে।

কাউদ বলেন, শিশুদের ক্যান্সার ওয়ার্ড হাসপাতালের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। সেখানে ৩০টিরও বেশি শিশু কেমোথেরাপির চিকিৎসা নিচ্ছিল।

‘এরপর তৃতীয়বারের মতো হাসপাতালটিতে হামলা চালানো হয় যেখানে অ্যাম্বুলেন্স এবং অন্যান্য যানবাহন পার্ক করা ছিল এবং যেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবার আশ্রয় নিয়েছিল। এতে আমাদের ৮০ থেকে ১০০ রোগী এবং ৭০০টি পরিবার ছিল, প্রায় ৫ হাজার মানুষ ছিল’ বলেন দাউদ।

তিনি বলেন, সৌর প্যানেল এবং পানির ট্যাঙ্কগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। এখন রান্টিসি হাসপাতালে এক ফোঁটাও পানি নেই। এদিকে গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় গাজার মানুষের প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ২২ জনে। গাজার হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মৃতের সংখ্যার এ হিসাব দিয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023