শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

ফ্রান্সের স্কুলে হিজাবের পর নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকাও

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩

ফ্রান্সের স্কুলগুলোতে হিজাব নিষিদ্ধ হয়েছিল আগেই। এবার বোরকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চলেছে দেশটি। সেখানে আর বোরকা পরে স্কুলে যেতে পারবে না কোনো মুসলিম ছাত্রী। শিগগির এ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর আল-জাজিরার।

১৯ শতকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ক্যাথলিক প্রভাবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় ফ্রান্স। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যেকোনো ধরনের ধর্মীয় প্রতীক বহন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। ফরাসি স্কুলগুলোতে খ্রিস্টানদের ক্রস, ইহুদিদের কিপ্পা বা মুসলিমদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ।

ফ্রান্সে বর্তমানে ৫০ লাখের বেশি মুসলিম বসবাস করেন। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু দেশটির পর্দা সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাগুলো মুসলিমদের কাছে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০০৪ সালে স্কুলগুলোতে হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে ফ্রান্স। ২০১০ সালে উন্মুক্ত স্থানে মুখ ঢেকে চলাচল নিষিদ্ধ করে দেশটি। এই সিদ্ধান্তে মুসলিম সম্প্রদায় ক্ষুব্ধ হলেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আটাল টিভি চ্যানেল টিএফ১-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, স্কুলে আর আবায়া (বোরকা) পরা যাবে না।

কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে কেবল শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়েই তাদের ধর্ম শনাক্ত করতে পারা উচিত নয়।

অবশ্য ফরাসি স্কুলগুলোতে বোরকা পরা নিষিদ্ধের এই সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া হয়েছে বলা যাবে না। এ নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে দেশটিতে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023