শিরোনাম :
বগুড়ায়  আলোচিত সেঞ্চুরি মোটেলে ফুর্তি করতে এসে প্রেমিকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় প্রেমিকা আটক নীলফামারীতে চামড়ার বাজারে ধস, ক্ষুব্ধ বিক্রেতারা ঈদ-পরবর্তী শাজাহানপুরে মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ মামলায় জরিমানা শাজাহানপুরে জমি নিয়ে সংঘর্ষ, হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় এজাহার দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চললে অনেক ক্ষতি হবে : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তির মৃ’ত্যু সারিয়াকান্দিতে ঈদের দিনে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে নদীতে নেমে দুই কিশোরের মৃত্যু দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা আদ্-দ্বীনে  হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু

মধ্যরাতে উঠছে নিষেধাজ্ঞা, ইলিশ শিকারে প্রস্তুত জেলেরা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মা ইলিশ রক্ষায় সরকাররে দেয়া ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। রাত ১২টা থেকে জাল নৌকা ও ফিশিং ট্রলার নিয়ে নদী ও সমুদ্রে নেমে পড়বেন জেলেরা। ইতিমধ্যেই নৌকা, ফিশিং ট্রলার ও জাল মেরামতের কাজ শেষ করেছেন জেলেরা। নদীতে মাছ ধরা জেলেরা শনিবার সকালেই ইলিশ নিয়ে বাজারে হাজির হবেন জেলেরা।

মৎস্য বিভাগ জানায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নিরাপদ রাখতে লক্ষ্যে ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এই সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রি, মজুদে নিষেদ্ধা জারি করে সরকার। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ায় জেলে পরিবারগুলোতে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার জেলে ইমাইল হেসেন ও খালেক ফরাজী বলনে, আমরা সরকাররে নিষেধাজ্ঞা সময় ইলিশ আহরণ করিনি। বলেশ্বর নদী ও বঙ্গোপসাগরে আমরা ইলিশসহ অন্যসব মাছ আহরণ করে জিবিকা নির্বাহ করি। ইলিশসহ সব মাছ আহবরণ বন্ধের ২২ দিন পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে করে দিন অতিবাহিত করতে হয়েছে। সরকার এ বছর ২০ কেজির জায়গায় ২৫ কেজি চাল বরাদ্দ দিয়েছে। আমরা কিন্তু ২৫ কেজি চাল পাইনি। আমাদের ২২-২৩ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। শুধু কি চাল দিয়েই সংসার চলে ? সঙ্গে আরও অনকে কিছু কিনতে হয়। এই ২২ দিনে আমাদের হাতে কোন টাকা ছিল না।
বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এম রাসেল জানান, জেলা প্রশাসন, নৌ-পুলশি ও কোস্টর্গাডসহ বিভিন্ন দফতরের সমন্বেয় গঠিত টাস্কর্ফোস সদস্যরা মা ইলশি রক্ষায় বাগেরহাট জেলাজুড়ে তৎপর ছিল। সবাই মিলে কাজ করেছি। এ বছর নদীতে প্রচুর মা ইলশি এসেছে ডিম পাড়ার জন্য। তাই আমরা মনে করছি, সামনের জাটকা রক্ষা র্কাযক্রম সফল ভাবে বাস্তবায়ন করলে ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে দেশ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023