শিরোনাম :
রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি : জামায়াত আমির কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত বগুড়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান দশ হাজার জরিমানা বগুড়ায় আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে ১০ দলীয় জোটের সভা শিবগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থী ৭ জন শিবগঞ্জে অবৈধ মাটি মহলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাজাহানপুরে মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক

মৃতের শরীরে কতক্ষণ বাঁচে করোনাভাইরাস?

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি মারা গেলে তার দেহে ঠিক কত সময় ধরে সক্রিয় থাকতে পারে জীবাণু? বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে এই প্রশ্ন, একই সঙ্গে চলছে তুমুল বিতর্ক। এর বাইরে নয় বাংলাদেশও।

 

 

যদিও এ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

 

এই অবস্থায় মৃত ব্যক্তির লাশ অনেকেই স্পর্শ করতে চাচ্ছেন না। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনায় যারা মারা গেছেন তাদের দাফন হচ্ছে নীরবে, কম সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে। অনেক সময় এতে মৃত্যু হওয়া ব্যক্তিদের লাশ দাফনে বাধা দিতেও দেখা গেছে।

 

ডব্লিউএইচও তাদের সর্বশেষ রিপোর্টে বলেছে, মারা যাওয়ার পর মানুষের শরীরে জীবাণুরা বেশিরভাগ সময়ই দীর্ঘ সময় জীবিত থাকে না।

 

আরো খোলাসা করে বলেছেন, থাইল্যান্ডের মেডিকেল সার্ভিসের মহাপরিচালক স্যামসাক আকাসিলিফ। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ব্যাংকক পোস্টকে তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তি ভাইরাসে মারা যাওয়ার সাথে সাথে জীবাণুও মরে যায়। তাই অন্য ব্যক্তির শরীরে এটি সংক্রমণের সুযোগ কম।

 

আর এ নিয়ে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মোজাহেরুল হক বলছেন অন্য কথা। দীর্ঘ সময় বিশ্ব স্বা্স্থ্য সংস্থার হয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় কাজ করা এই চিকিৎসক মনে করেন, মৃত ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে।

 

বাংলাদেশে করোনার উপসর্গ নিয়ে কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর পরীক্ষা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। বলা হচ্ছে, আইইডিসিআরের পরীক্ষার আগেই ওই লাশের শরীরে থাকা ভাইরাস মারা যেতে পারে।

 

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যখন মহামারিতে গণহারে মানুষ মারা যায় তখন লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেয়ে কবর দেয়াই উত্তম।

 

তবে জনস্বার্থের জন্য গণকবর কোন সুপারিশকৃত বিষয় নয়। এতে প্রচলিত সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ আদর্শগুলো লঙ্ঘিত হতে পারে। তাই লাশ দাফনের সময় সামাজিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো উচিত।

 

লাশ সৎকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটি বলেছে, কবরস্থান হতে হবে পানির উৎস, যেখান থেকে পানি পান করা হয় তার থেকে ৩০ মিটার দূরত্বে। আর পানির স্তর থেকে শূন্য দশমিক ৭ মিটার দূরত্বে হতে হবে কবরস্থান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023