স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডা. সৈয়দ ইমামুল হোসেন বলেছেন, সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যথা সময়েই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয় কাজ করছে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোন তারিখ তিনি জানাননি। শুক্রবার তিনি এ কথা বলেন।
জানা যায়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) তৃতীয় নিয়োগ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এবারই প্রথম প্রাথমিকভাবে যাদেরকে সুপারিশ করা হয়েছে তাদেরকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে এসব শিক্ষকের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে এনটিআরসিএ।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসেছে। এখান থেকে তালিকা পাঠানো হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। এরপর শুরু হবে (পুলিশ) ভেরিফিকেশন।
এনটিআরসিএ থেকে জানা যায়, পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য প্রাথমিকভাবে সুপারিশকৃত প্রার্থীদের সমস্ত তথ্য নেয়া হয়েছে টেলিটক থেকে। যেখানে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীর সমস্ত তথ্য মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার পৃষ্ঠা হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে দেয়া গণবিজ্ঞপ্তির ফল গত ১৫ জুলাই রাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। তবে এতে ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জনকে এবং ননএমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে। আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে মহিলা প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফলাফল দেয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশীর অন্যতম নেতা হাবিবুল্লাহ রাজু বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের পর পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়। অথচ এবারই প্রথম বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশন চালু করা হলো। তবে সেটি সমস্যা নয়। অনেক চাকরি প্রত্যাশী দীর্ঘদিন আন্দোলনের ফসল হিসেবে কয়েক বছর পর নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা আর বেকার থাকতে চাইনা। মন্ত্রণালয় যেনো বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন করে নিয়োগ প্রদান করে এই আশা প্রকাশ করছি।