বগুড়া জেলায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিদ্যুৎখেকো প্রায় দেড় লাখ অবৈধ অটোরিকশা ও ইজিবাইক। চার্জার ব্যাটারির মাধ্যমে পরিচালিত এসব যানবাহনে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে। আইনের তোয়াক্কা না করে দিন দিন বেড়েই চলেছে এসব অটোরিকশার সংখ্যা। এতে শুধু বিদ্যুতের অপচয়ই হচ্ছে না, প্রতিনিয়ত সড়কে ঘটছে দুর্ঘটনাও।
অটোরিকশা ও ইজিবাইকের দাপটে তীব্র হচ্ছে যানজট। শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে সময় লাগছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। বগুড়া সিটির প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন দায়িত্ব নেওয়ার পর যানজট নিরসনে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণসহ প্রতিদিন চালানো হচ্ছে ফুটপাত দখলমুক্তকরণ অভিযান। তবে শতচেষ্টাতেও থামানো যাচ্ছে না অবৈধ যানবাহনের দৌরাত্ম্য।বাংলাদেশ বিআরটিএ বগুড়া সার্কেলের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ ইনকিলাবকে জানান, জেলায় বাস-মিনিবাস মিলে বৈধ লাইসেন্স রয়েছে ২১৮টির, ট্রাক ও মিনিট্রাকের লাইসেন্স আছে ৫ হাজার ৬৯২টি। বৈধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৭ হাজার ৭৫৮টি হলেও অবৈধ রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার। এ ছাড়া নিবন্ধিত মোটরসাইকেল আছে ১ লাখ ৪০ হাজার। জেলায় প্রায় দেড় লাখ অটোরিকশা রয়েছে, যার মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় চলে ২০ থেকে ২২ হাজার। প্রতিদিন সকালে আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আরও কয়েক হাজার অটোরিকশা শহরে প্রবেশ করে রাতে ফিরে যায়। সব মিলিয়ে প্রতিদিন অন্তত ৫০ হাজার অটোরিকশা শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দাপিয়ে বেড়ায়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই অর্ধেকের বেশি বাস ও করতোয়া গেটলক বাস।