শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত

ডাব কেনা-বেচার পাকা ভাউচার রাখার নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩

ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ডাবের দামের ঊর্ধ্বগতির রাশ টানতে কেনা-বেচার পাকা ভাউচার রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজারের টিসিবি ভবনে ডাবের পাইকারি বিক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি।

ভোক্তার ডিজি বলেন, সারা দেশে ডাবের যে ক্রয়-বিক্রয় হয়; ক্রয় কত, বিক্রয় কত-ব্যবসায়ীদের নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্যাডে পাকা ভাউচার রাখতে হবে। বাংলাদেশে ব্যবসা করতে হলে এই কথাগুলো জানতে হবে। ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী এটা বাধ্যতামূলক। এখন এটা আমরা শক্তভাবে ধরছি।

তিনি আরও বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) থেকে আমরা সারাদেশে এটি পরীক্ষা করবো। এগুলো করার পর বাজারে যদি প্রভাব না পড়ে, তাহলে পরবর্তীতে আমরা আরও কাজ করবো। ডাবের বাজার যতদিন স্থিতিশীল না হবে, ততদিন আমরা এখানে কাজ করবো।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে এ এইচ এম সফিকুজ্জামান আরও বলেন, টোটাল ব্যবসায়ী সমাজকে আপনারা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন এবং এটা কোনোভাবেই হওয়া উচিত না। আমরা ব্যবসাকে প্রমোট করছি কিন্তু যে ব্যবসায়ী অসাধু বা যে ব্যবসায়ী এসব কাজের সঙ্গে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কাজ করে যাব।

সম্প্রতি ডাবের আড়তে ও বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়েছে জানিয়ে ভোক্তার ডিজি বলেন, আমরা যেসব তথ্য পেলাম, তাতে ডাবের দাম খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০ টাকার মধ্যে থাকার কথা। আশা করি ডাবের বাজারের যে অস্থিরতা সেটি নিরসন হয়ে ৭০-৮০ শতাংশ দাম কমে যাবে।

ডিজি আরও বলেন, আজকে এখানে ব্যবসায়ীরা ডাবের দাম বৃদ্ধির যেসব কারণ বললেন, এগুলো অপ্রত্যাশিত নয়। আপনারা অনেক অজুহাত দাঁড় করাবেন। ব্যবসায়ীরা ১০ শতাংশ লাভ করবেন, এটি যৌক্তিক। কিন্তু আপনি যদি এক সপ্তাহে বিনিয়োগের পুরো টাকা উঠিয়ে নেন, সেটি তো ব্যবসা হতে পারে না। আমি কাউকে দোষারোপ করতে চাই না। আমি চাই, ব্যবসায়ীরা একটি সিস্টেমের মধ্যে আসুক। প্রচলিত আইন মেনে চলুক।

এ সময় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আড়াই লাখ পিস ডাব আসে ঢাকায়। কেনা মূল্য ও পরিবহন খরচসহ ডাব আড়ৎদারের ঘরে পৌঁছাতে প্রতি পিসে অন্তত ৮০ থেকে ৮৫ টাকা গুণতে হয়। পরবর্তীতে তারা খরচ ও লাভ রেখে সাইজ ভেদে পিস ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি করেন। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করেন প্রতি পিস ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023