শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধস, নিহত ২৫

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সবুজ রঙের জেড পাথরের খনিতে ভূমিধসের ঘটনায় ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে ১৪ জন খনি শ্রমিক। শহরটিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও আকর্ষণীয় পান্নার খনিটি অবস্থিত। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) উদ্ধারকারীরা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ফরাসি সংবাদ সংস্থাটি এএফপির।

ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অনেকেই পাহাড়ের পাদদেশে মাটি খননকারী স্থানীয় লোকজন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যাদের অনেকে খনির পরিত্যক্ত গর্তগুলোতে কাজ করে এবং বসবাস করে। মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মিয়ানমারে যখন বর্ষার ভরামৌসুমের সময়ে ভারি বৃষ্টিপাতে ওই এলাকায় নিয়মিত প্রাণঘাতী ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ চলছে। এর মধ্যে কেউ কেউ জেড পাথরের খোঁজে পুনরায় সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে দিয়েছেন বলে জানান উদ্ধারকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উদ্ধারকর্মী বিবিসিকে বলেন, আমরা এখনও সেখানে কোনো মৃতদেহ খুঁজে পাইনি। মিয়ানমারের জান্তা সরকার গ্রেপ্তার করতে পারে এই ভয়ে ওই উদ্ধারকর্মী নিজের নাম প্রকাশ করেননি। মিয়ানমার জান্তাদের আয়ের অন্যতম উৎস এই জেড খনিগুলো।

এএফপি বলছে, উদ্ধারের জন্য একদল উদ্ধারকারী কাদা মাটি খুঁড়ার কাজ করে। আর একটি দল কাদা মাটি সরানোর জন্য পানি দেয়। উদ্ধারকারীদের তথ্য মতে, অতিবৃষ্টিতে খনির একটি অংশ হঠাৎ ১৫০ থেকে ১৮০ মিটার (৫০০ থেকে ৬০০ ফুট) নিচে ধসে পড়ে।

মিয়ানমারে বর্ষাকালে ধসের জন্য খনির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে, ওই খনিটিতে যারা কাজ করছিলেন তারা বিনা অনুমতিতে সেখানে ছিল বলে জানা গেছে। সেখানে কাজ করারা স্থানীয় এবং তারা মূল্যবান ধাতুর সন্ধানেই সেখানে কাজ করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একই এলাকায় ২০২০ সালের জুলাই মাসে ভূমিধসে অন্তত ১৬২ জনের মৃত্যু হয়। তার আগে ২০১৫ সালে ভূমিধসের অন্য একটি ঘটনায় ১১০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। বর্ষা মৌসুমের কারণে জেড পাথরের খনিতে বর্তমানে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় অনেকে নিজেরাই মাটি খুঁড়ে পাথর বের করে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023