গাইবান্ধায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রী মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তর!

মুক্তজমিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

গাইবান্ধার সাঘাটায় সুমনা আক্তার নামে ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রী হঠাৎ করে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝাড়াবর্ষা গ্রামে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৭ মে) সকাল থেকে ঘটনাটি জানাজানি হলে মানুষের মাঝে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়া সুমনাকে এক নজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ভিড় জমাচ্ছে তার বাড়িতে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িতে কয়েক’শ উৎসুক মানুষের ভিড়। সবাই কৌতূহল নিয়ে সুমনাকে দেখছে। সুমানার দাদী দৌলত নেছা জানান, বেশ কয়েকদিন আগেই তার শারীরিক পরিবর্তনের কথা গোপনে সুমানা তাকে জানায়। এ জন্য গত ২৩ মে সে স্কুলে যায়নি।

সুমনার মা লাভলী বেগম জানান, আমার ছেলে সন্তান নেই, তিন মেয়ে। এদের মধ্যে সুমনা বড়। পাশ্ববর্তী ঝাড়াবর্ষা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণিতে পড়ে। গত ২ দিন আগে তিনি সুমনার দাদীর কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি জানান, সুমনা তার দাদীকে প্রথমে বিষয়টি জানায়। শনিবার সকাল থেকে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে মানুষের মুখে মুখে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই দিনরাত মানুষ ভিড় করছে তাকে নতুন ভাবে দেখার জন্য।

এখন তার শারীরিক গঠন পুরুষের মতো হয়ে গেলেও তার মাথার চুল এবং পড়নের পোষাক পরিবর্তন করা হয়নি। সুমনার বাবা ছাইদুর রহমান বলেন, ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার পর এখনো সুমনার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়নি। তার গৃহিনী মা জানান, দুইদিন আগে সুমনা তাকে ঘটনাটি বললে তিনি বিশ্বাস করেননি। পরে তিনি সুমনার দাদীর কাছ থেকে সবকিছু দেখে শুনে বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, তার ছেলে সন্তান নেই আল্লাহ তাকে মেয়ে থেকে ছেলে বানিয়ে দিয়েছে। আগে তাদের ৩ মেয়ে ছিল, এখন এক ছেলে দুই মেয়ে হওয়ায় তারা খুশি।

এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের দেশে মাঝে-মধ্যেই ছেলে থেকে মেয়ে আবার মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিক হওয়ার ঘটনা ঘটছে। এটা সাধারণত হরমোন পরিবর্তনের কারণে ঘটে। তবে সুমনার ক্ষেত্রে কি ধরণের পরিবর্তন ঘটেছে এবং কেন ঘটেছে তা বাস্তবে না জেনে বলা যাবেনা’।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023