শিরোনাম :
যত্রতত্র গড়ে ওঠা ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান শিবগঞ্জে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ গাবতলীতে সৈয়দ আহম্মেদ কলেজে নবীর বরণ ও কৃতি সংবর্ধনা সরকার ১ কোটি বেকারের হাতে কাজ নয় চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছে : ডা. শফিকুর রহমান গাজীপুরে আগুনে, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই মিরপুর-বাড্ডায় ৩ বাসে আগুন, যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ রাজধানীতে একাধিক বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ একনেকে তিন মেট্রোরেল ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন ফ্যাসিস্ট আ”লীগের পথেই হাঁটছে বিএনপি : এটিএম আজহারুল ইসলাম

সাফে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

দুরন্ত, দুর্দমনীয়, অপ্রতিরোধ্য, অবিশ্বাস্য-কোনো বিশেষণই যেন খাটে না বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের মেয়েদের সঙ্গে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তাদের সামনে পাত্তা পেলো না কোনো দলই। অপরাজিত থেকেই চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশের মেয়েরা। (বৃহস্পতিবার) (৯ ফেব্রুয়ারী) কমলাপুর স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শিরোপা উৎসবে মেতেছে স্বাগতিকরা।

গত সেপ্টেম্বরে নেপালের কাঠমান্ডুতে বিজয়ের পতাকা উড়িয়েছিলেন সাবিনা-কৃষ্ণারা। সাড়ে পাঁচ মাসের ব্যবধানে এবার ঢাকায় বিজয়ের পতাকা ওড়ালেন সাবিনাদের অনুজ শামসুন্নাহার জুনিয়র-রূপনা চাকমারা।

সিনিয়র নারী সাফের পর অনূর্ধ্ব-২০ সাফেও চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা। কাকতালীয়ভাবে কাঠমান্ডুর মতো ঢাকার ফাইনালেও প্রতিপক্ষ সেই নেপাল। বাংলাদেশ প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়েছিল। ৪২ মিনিটে শাহেদা আক্তার রিপা ও ৪৫ মিনিটে অধিনায়ক শামসুন্নাহার গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় স্বাগতিক মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান ৩-০ করেছেন উন্নতি খাতুন।

বাংলাদেশ প্রথম দুই ম্যাচে নেপাল ও ভারতের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে খেলেছিল ফাইনালে সেই ১১ জনকেই বেছে নেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। শুরু থেকে নেপালের ওপর চড়াও হয়ে খেলেও গোল পাচ্ছিল না বাংলাদেশের মেয়েরা। দ্বিতীয় মিনিটেই আকলিমা খাতুন পেয়েছিলেন সহজ একটি সুযোগ। নেপালি গোলরক্ষক কবিতা বক্সের মাথায় এসে আক্রমণ ঠেকাতে এলে বল পেয়ে যান আকলিমা। ফাঁকা পোস্ট ছিল তখন। কিন্তু যে শট নিয়েছিলেন আকলিমা তা চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

১৮ মিনিটে অধিনায়ক শামসুন্নাহার বল নিয়ে ঢুকে ডান দিকে পাস দেন শাহেদা আক্তার রিপাকে। রিপা বক্সে ক্রস দেন আকলিমাকে। আকলিমা ফাঁকায় দাঁড়িয়েও বল রিসিভ করতে না পারলে সুযোগ নষ্ট হয় বাংলাদেশের। ৩৬ মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি করেছিল নেপাল। তবে আমিশা কার্কি গড়ানো শট নিলে তা চলে যায় পোস্ট ঘেঁষে বাইরে।

দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল উঠে খেলার চেষ্টা করে। মাঝমাঠে বাংলাদেশের যে প্রাধান্য ছিল তাতে ভাগ বসিয়ে বেশ কয়েবার রক্ষণ ভাঙার চেষ্টাও করে তারা। তবে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সে সুযোগ দেননি। দুই গোলে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছিল বারবার। শাহেদ আক্তার রিপা, শামসুন্নাহার জুনিয়ররা একটু দূর থেকে শট নিয়ে লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করেছেন। তবে তাদের নেওয়া শটগুলো গোলে পরিণত হওয়ার মতো ছিল না। ৮৭ মিনিটে তৃতীয় গোল পায় বাংলাদেশ। রিপার ফ্রিকিক থেকে গোল করেন উন্নতি খাতুন।

নেপাল ব্যবধান কমানোর দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল ৮০ মিনিটে। আমিশা কার্কির গড়ানো শট ডান দিকে ঝাপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক রূপনা চাকমা। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যবধান বাড়ে ৮৭ মিনিটে। ৩-০ গোলে জিতে বাংলাদেশের মেয়েরা বয়সভিত্তিক সাফে আরো একটি সাফল্য নিয়ে ঘরে ফেরে। এ নিয়ে বয়সভিত্তিক সাফে বাংলাদেশ চতুর্থ শিরোপা জিতলো।

বাংলাদেশ একাদশ
রূপনা চাকমা, শামসুন্নাহার, নাসরিন আক্তার, সুরমা জান্নাত, আফিদা খন্দকার, সোহাগী কিসকু, স্বপ্না রানী, মাহফুজা খাতুন (উন্নতি খাতুন), শাহেদ আক্তার রিপা, আকলিমা খাতুন (আইরিন খাতুন) ও ইতি খাতুন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023