আফগানিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশের লক্ষ্যে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে এসে আবারও প্রথম ম্যাচের মতো ভূতুড়ে ব্যাটিং বাংলাদেশের। এক লিটন দাস ছাড়া আফগান বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি আর কেউই। ৪৬.৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৯২। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বেলা ১১ টায় শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলো বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে নেমে বেশ সাবধানী শুরু করেছিলেন তামিম-লিটন দুজনই। পাওয়ার-প্লের ১০ ওভারে কোনো উইকেট হনা হারিয়েই বাংলাদেশ তুলে ফেলে ৪৩ রান। তবে বিপত্তির শুরু এরপরেই। ১১ তম ওভারের প্রথম বলেই ফাজল হক ফারুকির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ২৫ বল ১১ রান তামিম। এই নিয়ে সিরিজের তিন ম্যাচেই ফারুকির বলেই উইকেট দিলেন টাইগার কাপ্তান।
তিনে নামা সাকিব আল হাসান বেশ ভালোই শুরু করেছিলেন। ৩৬ বলে ৩০ রান করা সাকিবকে ফেরান আজমতুল্লাহ। এরপরই দিশেহারা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। মুশফিক আর ইয়াসির যেন এলেন আর গেলেন।
এদিকে আজও সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে লিটন শেষমেশ ফিরে যান ১১৩ বলে ৮৬ রান করে। ৩৫.৫ ওভারে ১৫৩ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপরের চিত্রটা যেন আরও করুণ। আফিফ, মিরাজ, তাসকিন, শরীফুল বা মুস্তাফিজ কেউই ছুঁতে পারেননি দুই অংকের ঘর। একপাশে মাহমুদুল্লাহ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সতীর্থদের যাওয়া আসার মিছিলে শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ২৯ কএ অপরাজিতই থাকেন মাহমুদুল্লাহ। বাংলাদেশ শেষ ৫ উইকেট হারায় ৩৯ রানে। ৪৬.৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ১৯২।
আফগানিস্তানের হয়ে ১০ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রশিদ খান আর ১০ ওভারে ২৯ রানে ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ নবী।
হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার লজ্জা এড়াতে লক্ষ্যটা ধরাছোঁয়ার বেশ ভেতরেই আছে আফগানদের। আর যদি মুস্তাফিজ-তাসকিনরা জ্বলে ওঠে তাহলে আফগান বধ করে ধবল ধোলাইয়ের পাশাপাশি আইসিসি ওডিআই সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানটা আরও মজবুত করতে পারবে বাংলাদেশ।