শিরোনাম :
দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার

ঘরে অনলাইনে জুয়া খেলতেন স্বামী, টাকা লেনদেন করতেন স্ত্রী!

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১

অনলাইনে জুয়া খেলার সাইট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ৯ সদস্যকে তিন জেলায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। আজ রোববার সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে আয়েজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান।

তিনি জানান, সাইবার পুলিশ সেন্টারের নিয়মিত মনিটরিংকালে একটি অনলাইন বেটিং প্লাটফর্ম নজরে আসে। সেখানে অনলাইনে বেটিং বা জুয়া খেলা হয়।এই তথ্যের ওপরে ভিত্তি করে গতকাল শনিবার ৩ জেলায় অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন, মো. স্বপন মাহমুদ (২৭), মো. নাজমুল হক (২১), মো. আসলাম উদ্দিন (৩৫), মো. খুরশিদ আলম লিপু (২৫), মো.শিশির মোল্লা (২১), মো.মাহফুজুর রহমান ওরফে নবাব (২৬), মনিরা আক্তার মিলি (২৪), মো.সাদিক (২২) ও মো. মাসুম রানা (২০)।

অনলাইন জুয়া সম্পর্কে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, এই জুয়ার সাইটটি রাশিয়া থেকে পরিচালিত হয়। সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট করার পরে সেখানে টি-টোয়েন্টি, আইপিএলসহ বিভিন্ন খেলার সময় জুয়া খেলা হয়। সেখানে থেকে যে জুয়ার টাকা আসে তা ব্যাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং ‘নগদ’ এর মাধ্যমে তুলে নেন জুয়ারীরা।

এই কাজে ব্যবহার করা নগদের এজেন্ট সিমসহ প্রথমে স্বপন ও খুরশিদ আলম লিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই কাজে স্থানীয় নগদের বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) ও ডিপো ম্যানেজারও সহায়তা করছিলেন তাদের।

সিআইডি জানায়, জুয়ার সঙ্গে জড়িত নবাব বাসা থেকে হতেন না। তার স্ত্রী মনিরা আক্তার মিলি টাকা সংগ্রহ, ব্যাংকে টাকা জমাসহ সব কাজ করতেন।

গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডি জানায়, জুয়ার কাজে ব্যবহার করা প্রতিটি সিম সেখানকার নগদের এসআর মাধ্যমে ট্রানজেকশন করেন। জুয়ার সঙ্গে জড়িত এই এসআররা সরাসরি অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত এবং বিনিময়ে তারা প্রতিটি ট্রানজেকশন থেকে কমিশন পেতেন। অনেক সময় তাদের মধ্যে বিটুবির মাধ্যমে লেনদেন হলেও সরাসরি কখনো দেখা বা লেনদেন হতো না।

এই আসামিদের নগদের সিম কার্ড প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা লেনদেন হতো বলেও জানিয়েছে সিআইডি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023