শিরোনাম :
যত্রতত্র গড়ে ওঠা ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান শিবগঞ্জে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ গাবতলীতে সৈয়দ আহম্মেদ কলেজে নবীর বরণ ও কৃতি সংবর্ধনা সরকার ১ কোটি বেকারের হাতে কাজ নয় চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছে : ডা. শফিকুর রহমান গাজীপুরে আগুনে, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই মিরপুর-বাড্ডায় ৩ বাসে আগুন, যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ রাজধানীতে একাধিক বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ একনেকে তিন মেট্রোরেল ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন ফ্যাসিস্ট আ”লীগের পথেই হাঁটছে বিএনপি : এটিএম আজহারুল ইসলাম

ড্রাইভিং টেস্টে হাজারটি বার ফেল করে সে, ঘায়েল হয়েও থামতে রাজি নন ইসাবেলা!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট

গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় এক জন কত বার অকৃতকার্য হতে পারেন? খুব বেশি বার নয় নিশ্চয়ই। কিন্তু কখনও শুনেছেন এক হাজার বার চেষ্টা করেও গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি? অবিশ্বাস্য হলেও এমনই ঘটেছে এক মহিলার ক্ষেত্রে।

নাম ইসাবেলা স্টেডম্যান। ইংল্যান্ডের বেডফোর্ডশায়ারের বাসিন্দা। বছর সাতচল্লিশের ইসাবেলা নিজের ১৭ বছর বয়স থেকে গাড়ি চালানোর পরীক্ষা দিয়ে চলেছেন। ইতিমধ্যেই এক হাজার বার পরীক্ষা দেওয়া হয়ে গিয়েছে তাঁর। কিন্তু পাশ করতে পারছেন না কিছুতেই! ফলে লাইসেন্সও অধরা থেকে গিয়েছে। তাঁর ছেলে মেয়ে গাড়ি চালানো শিখে গিয়েছেন, অথচ তিনি এখনও পরীক্ষাতে পাশ করতে পারলেন না। শুধু তাই নয়, এই পরীক্ষা দিতে গিয়ে তাঁর ১০ হাজার পাউন্ড (যা ভারতীয় মুদ্রায় ১০ লক্ষ টাকা) খরচও হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু কেন এমনটা ঘটছে বারবার? ইসাবেলা জানান, খুব শখ করে গাড়ি কিনেছিলেন। গাড়ি কিনলেই তো আর হয় না। তার জন্য লাইসেন্স দরকার। অতএব পরীক্ষা দিতে হবে। কিন্তু পরীক্ষা দিতে গিয়েই বিপত্তি। সংবাদ সংস্থা ‘ডেইলি স্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসাবেলা বলেন, “৩০ বছর ধরে গাড়ি চালানো শিখছি। কিন্তু যখনই গাড়িতে বসি, তখনই মনে হয় যে আমি আগে কোনও দিন গাড়িই চালাইনি। তার পরই একটা অদ্ভুত ভয় ঘিরে ধরে আমাকে।”

তিনি আরও বলেন, “কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারি না। কিন্তু এমন একটা উদ্বেগজনক অনুভূতি হয় যে, স্টিয়ারিং ধরার কিছু ক্ষণের মধ্যেই কয়েক সেকেন্ডের জন্য অচেতন হয়ে পড়ি। যখন জ্ঞান ফেরে দেখি প্রশিক্ষক গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। তাঁর হাতে স্টিয়ারিং। তার পরই কান্নায় ভেঙে পড়ি।” প্রত্যেক পরীক্ষা দিতে গিয়েই এমন অভিজ্ঞতার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। ফলে পরীক্ষায় পাশ করে ওঠা সম্ভব হয়নি ইসাবেলার। কিন্তু তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

চিকিৎসককেও এই অদ্ভুত রোগের কথা জানিয়েছেন ইসাবেলা। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি। তাই নিজে থেকেই একটা ধারণা তৈরি করেছেন। ইসাবেলা বলেন, “হয়তো গত জন্মে আমার মৃত্যু গাড়ি দুর্ঘটনাতেই হয়েছিল। সেটাই এ জন্মে ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।” সূত্র: আনন্দবাজার

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023