শিরোনাম :
অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ : গ্রেফতার ২ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস: শাজাহানপুর ইউএনও’র ঈদের শুভেচ্ছা

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ফ্লাট প্রকল্প নিয়ে যা ভাবছে সরকার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

সরকার এবার রাজধানীর বাইরে কর্মরত বিভিন্ন পৌরসভায় কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ৫৯ জেলার ৬৬টি পৌরসভায় এসব আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে। বাকি পৌরসভার কর্মীরা পর্যায়ক্রমে আবাসিক সুবিধা পাবেন। এদের জন্য নির্মিত হবে ৩ হাজার ৪০টি ফ্লাট। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্নস্থানে গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভায় কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সমস্যা প্রকট। রাজধানীসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক সুবিধা থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভার কর্মীদের এ সুবিধা নেই। তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে বাসাভাড়া করে থাকছেন। সরকার বিষয়টি উপলব্ধি করেই ‘পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ’ প্রকল্প নিয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দকরা ১ হাজার ১৪২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর। সূত্র জানায়, প্রকল্পটি ২০২১-২২ অর্থবছরের (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) এডিপিতে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রকল্পের আওতায় ১৫ দশমিক ৬১ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। তাতেই ফ্লাট নির্মাণ হবে। ফ্লাটের বাসিন্দাদের জন্য ৬৬টি সুয়ারেজ পরিশাধন ও গ্রাউন্ড রিচার্জসহ বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ট্যাঙ্ক বানানো হবে। এর বাইরেও প্রয়োজনীয় যানবাহন কেনা হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে নগর ও পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়িত হবে।

পরিকল্পনা কমিশন মনে করে, প্রকল্প সম্পন্ন হলে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে। এই বিবেচনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর কর্তৃক প্রস্তাবিত প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গত ৭ সেপ্টেম্বরের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানান, সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে প্রকল্পটি নিয়েছে সরকার। এটি বাস্তবায়িত হলে তাদের জীবনমান বাড়বে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট পৌরসভায়ও ফ্লাট নির্মাণ হবে।

প্রসঙ্গত, ফ্লাটগুলোতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা থাকলেও তাদের কাছ থেকে কোনও ভাড়া আদায় না করার নির্দেশনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ফ্লাট পরিচালনার জন্য ন্যূনতম একটি চার্জ নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023