শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পের ‘লক্ষ্য তৃতীয় পক্ষ নয়, হস্তক্ষেপের বিষয়ও নয়: চীন বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ছোট ভাইয়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলায় স্ত্রী-ছেলেসহ ৩জন আহত ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে প্রদর্শনী খামার স্থাপনে উপকরণ বিতরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী গাবতলীতে নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা দিল্লির সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উদ্বেগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন দেশে ফিরলেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ৩২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের অনিশ্চয়তা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসলেও ৩২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বন্যার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় উপজেলার ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আংশিক নিমজ্জিত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে পানি ওঠার কারণে পাঠদানের অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

বন্যার পানিতে উপজেলার ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনও আংশিকভাবে পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজামউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টি এখন পানিতে নিমজ্জিত। বিদ্যালয়টির ৩ তলা ভবনের নিচের তলা এখনো পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে এখন অথৈ পানি। প্রতিষ্ঠানটির চারপাশও পানিতে তলিয়ে আছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক বলেছেন এটিকে অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য কাজ চলছে।
অপর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলো উত্তর টেংরাকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়। এসব মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক রয়েছে ২৫ জন এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত জন। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস হতে বলা হয়েছে পানি যেহেতু দ্রুত কমছে তাই কয়েকদিনেই প্রতিষ্ঠান হতে পানি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য মতে, উপজেলার ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্য ২টি প্রতিষ্ঠান যমুনা গর্ভে বিলীন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ভাঙ্গরগাছা এবং মানিকদাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুটি সম্পূর্ণ যমুনায় বিলীন হয়ে যাওয়ায় এগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয় দুটি অন্যত্র স্থানান্তর করতে সম্ভাব্য খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা।

এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক রয়েছে ১২৫ জন। অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীদের সংখ্যা ৩ হাজার ৪ শত ৯০ জন। ৩০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৪ টি ভবন এখন পানিতে আংশিকভাবে নিমজ্জিত। এসব বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত মেঝে, দেওয়াল এবং মাঠ মেরামতের জন্য সম্ভাব্য খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৬ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।

সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, বিদ্যালয়গুলোর আশেপাশে কোন উঁচু স্থান পাওয়া গেলে সেখানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023