শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বগুড়ার শেরপুরে ১৫ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার দুই ইউনিয়নের ৯ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৫ গ্রামের মানুষ। তাদের প্রশ্ন- এ ভোগান্তি আর কতদিন?

উপজেলার মির্জাপুর ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ, রাজবাড়ী, হাতিগারা, বাঘমারা, ঘোলাগাড়ী, খোট্টাপাড়া, কাদিমুকন্দ, পেংড়া পাড়া, বীরগ্রাম, মাথাইল চাপড়, ভাদাইশপাড়া, খাসপাড়াসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের ৯ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা সৃষ্টি হওয়ায় প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর ও শাহবন্দেগী ইউনিয়ন দুটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় রাস্তাটির সংস্কারের কোনো কাজ হচ্ছে না। প্রতিনিয়তই এই রাস্তা দিয়ে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ হাজার হাজার গ্রামবাসী চলাচল করছে ভোগান্তি নিয়ে। এ রাস্তা দিয়ে ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভটভটি, ট্রলিসহ নানা ধরনের ছোটোখাটো যানবাহন নিয়মিত চলাচল করে।

মাটির রাস্তা হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি ড্রেনে পরিণত হয়ে প্রায় সম্পূর্ণ রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে যায়। এ সময় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। অনেক সময় এ রাস্তায় যানবাহন উল্টে যায়। পায়ে হেঁটেও চলাচলের কোনো উপায় থাকে না। কৃষিপণ্য বহন তো দূরের কথা অনেক সময় রাস্তা ছেড়ে জমির আইল দিয়ে চলাচল করতে হয় গ্রামবাসীদের। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ১৫টি গ্রামের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ।

এলাকাবাসী শ্রীকান্ত মাহাতো, রুস্তম আলী, ইমান হোসেন, ওসমান আলী, তছির উদ্দিন, ইয়াছিন আলীসহ আরও অনেকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প গ্রামাঞ্চলে রাস্তা পাকাকরণ হলেও এই রাস্তা আজও পাকাকরণ করা হয়নি। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল হওয়ার কারণে আজও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া। বর্ষা মৌসুমে কৃষি পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হয় না যার ফলে পিছিয়ে পরছে এলাকার জীবন মান উন্নয়ন। কেউ অসুস্থ হলে বা কারও প্রসবের ব্যথা উঠলে যথা সময়ে ক্লিনিক বা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না।

এই এলাকায় রয়েছে বাঘমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কানাইকান্দর উচ্চ বিদ্যালয় যেখানে ছাত্ররা সময়মত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না যদিও করোনার সময় স্কুল বন্ধ রয়েছে।

রাজবাড়ী গ্রামের খোদা বক্স, ইউনুছ আলী, আব্দুল কুদ্দুসসহ আরও অনেকে বলেন, আমরা পুরোপুরি অসহায়, এ রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তা শুরু হচ্ছে না। অল্প বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কোনো গাড়ি চলা তো দূরে থাক হেঁটে যাওয়াই কঠিন হয়ে যায়। জানিনা ঠিক কতদিন আমাদের এ ভোগান্তি সহ্য করতে হবে।

রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় সাংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিতভাবে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মন্টু বলেন, রাস্তাটি ২টি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী। তার পরও রাস্তাটির বেহাল অবস্থা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে খুব দ্রুত রাস্তাটির সংস্কার করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ময়নুল ইসলাম জানান, আমাকে লিখিতভাবে এলাকাবাসী অবহিত করেছে। উপজেলা পরিষদ থেকে যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটির সংস্কার কাজ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023