ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘করোনা মোকাবেলায় ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেই অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।’

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে বয়স্ক লোকদের ভ্যাকসিনেট করার ব্যবস্থা করা, ভ্যাকসিন নেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে একটা অনীহা আছে।হাসপাতালে দেখা গেছে, গ্রামের বয়স্ক লোকরাই আছেন ৭৫ শতাংশ। তাদের মৃত্যু সংখ্যা বেশি, আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯০ শতাংশ। তাদের ভ্যাকসিনেট করার জন্য আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে। আমরা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’

 

তিনি বলেন, দেশে মোট ২১ কোটি ভ্যাকসিন আসবে। যেটা মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে বয়স্ক লোকদের ভ্যাকসিনেট করার ব্যবস্থা করা, ভ্যাকসিন নেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে একটা অনীহা আছে। হাসপাতালে দেখা গেছে, গ্রামের বয়স্ক লোকরাই আছেন ৭৫ শতাংশ। তাদের মৃত্যু সংখ্যা বেশি, আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯০ শতাংশ। তাদের ভ্যাকসিনেট করার জন্য আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে। আমরা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, চিকিৎসক-নার্স, আর্মি, পুলিশ, সাংবাদিক রয়েছেন ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার হিসেবে। তাঁরা পেয়েছেন। বাকিদেরও দিয়ে দিতে বলা হয়েছে। তাদের পরিবারকে টিকা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরিবারে যদি কোনো ড্রাইভার থাকেন তাঁকেও দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরিবারে ১৮ বছরের বেশি যাদের বয়স তাঁরা এই ভ্যাকসিনটা পাবে।’

 

জাহিদ মালেক বলেন, ‘লকডাউনের তিন-চার দিন চলছে। কিন্তু রাস্তাঘাটে মানুষ যেভাবে চলাফেরা করছে, যেভাবে গাড়ি চলাচল করছে তাতে আমরা খুবই দুঃখিত। যারা লকডাউন ব্রেক করছে তারা নিজেদের ক্ষতি করছে। প্রতিটি রাষ্ট্রের সক্ষমতার একটা সীমাবদ্ধতা আছে। আমাদের হাসপাতালে ৯০ শতাংশ সিট বুক হয়ে গেছে, রোগী আছে সেখানে।’

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মোকাবেলায় নতুন চার হাজার ডাক্তার নেওয়া হচ্ছে, নার্স নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023