শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

লকডাউন শিথিলের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিলো যাত্রীদের উপচে পড়া। সেই তুলনায় আজ তৃতীয় দিন (১৭ জুলাই) শনিবার এর দ্বিগুণ ভিড় লক্ষ করা গিয়েছে। গাদাগাদি করে পাল্লা দিয়ে লঞ্চে ভিড় করছে মানুষ। উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি। পরিবার পরিজনের সঙ্গে ঈদ করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছেন হাজারো মানুষ। স্বাস্থ্য সচেতনতায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকা সত্বেও যাত্রীদের মাঝে চরম আকারে মাস্ক পরার অনীহা দেখা গিয়েছে। ফলে এবার গ্রামাঞ্চলে চরম আকারে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

 

এদিকে লঞ্চের অভ্যন্তরে শোভন চেয়ারে নামমাত্র স্বাস্থ্যবিধি মানা হলেও লঞ্চের ডেকে স্বাস্থ্যবিধির লেশ ছিলো না। গাদাগাদি করে লঞ্চের ডেকে বসেছে মানুষ। প্রায় সবগুলো লঞ্চের ডেকের অবস্থা এমন ছিলো। চাঁদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সোনার তরী লঞ্চ যাত্রীদের থেকে ৬০ শতাংশ ভাড়া বেশি নেওয়া সত্বেও লঞ্চে ছিলো ভরপুর যাত্রী। তাতে স্বাস্থ্যবিধির চিহ্নও ছিলো না। নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মাইক দিয়ে বার বার স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বললেও লঞ্চ মালিকরা তা আমলেই নিচ্ছেন না।

 

চাঁদপুরের উদ্দেশে লঞ্চে আসা মুকবুল নামের এক ব্যক্তিকে মাস্ক না থাকার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের মাস্ক লাগে না। ওসব করোনা-টরোনা আমাদের ধরবে না। আর মাস্ক পরলে দম বন্ধ হয়ে আসে। তাই মাস্ক নেই।’

 

ভোলা জেলার লঞ্চযাত্রী মো. সাব্বির কাজ করেন ধোলাইখাল গাড়ির পার্টসের দোকানে। লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন বাড়ি যেতে পারেননি। ছুটি পেয়েই ঈদ উপলক্ষে বাড়ি যাচ্ছেন। মুখে মাস্ক ছিলো না তার। মাস্ক না থাকার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘মাস্ক পরলে মনে হয় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। আর মাস্ক পরেও কোন লাভ নেই। করোনা ধরলে এমনিতেই ধরবে। তাই তাই মাস্ক পরি না।’

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃক (বিআইডব্লিউটিএ) এর যুগ্ম পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চয়তায় যাত্রীদের বার বার সতর্ক করা হচ্ছে। যাত্রীদের মাস্ক পরার কথা বলা হচ্ছে। এ ছাড়া যাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নৌ-পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা কর্মচারীগণ এখানে উপস্থিত আছেন।

 

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনও ব্যক্তিকে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার কারণে নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ কোনও ধরনের জরিমানা বা শাস্তি প্রধান করেননি। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের দায়েও এখন পর্যন্ত কোনও লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023