শিরোনাম :
রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি : জামায়াত আমির কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত বগুড়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান দশ হাজার জরিমানা বগুড়ায় আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে ১০ দলীয় জোটের সভা শিবগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থী ৭ জন শিবগঞ্জে অবৈধ মাটি মহলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাজাহানপুরে মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক

জাতীয় পতাকা অবমাননা
ভিসিসহ ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ আদালতের
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

রংপুর প্রতিনিধি

জাতীয় পতাকা অবমাননা করে বিকৃতিভাবে প্রদর্শনের ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

রংপুর মেট্রোপলিটনের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শওকত আলী এ নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক নাজমুল কাদির।

 

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইজার আলী বলেন, পতাকা অবমাননার ঘটনায় তদন্ত করার জন্য আদালত থেকে মৌখিকভাবে নির্দেশ পেয়েছি। আদালতের থেকে তদন্ত সংক্রান্ত কাগজ হাতে পেলেই তদন্ত শুরু করবো।

 

প্রসঙ্গত, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক বিজয় দিবসে নিজেদের মতো করে জাতীয় পতাকা তৈরি করে ক্যাম্পাসে বিজয় উল্লাস করে। এমন একাধিক ছবি ভাইরাল হয়। প্রতিবেদন হয় পত্রিকায়। ওই শিক্ষকেরা সবাই ভিসিপন্থী বলে জানা গেছে।

 

 

দেখা যায়, ডিজাইন পরিবর্তন করে সবুজের মধ্যে লাল বৃত্তের পরিবর্তে চারকোণা লাল আকৃতি দিয়ে তৈরি করা জাতীয় পতাকা ধরে ক্যাম্পাসে ছবি তোলেন ওই শিক্ষকেরা। গত বুধবার রাতে ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের নজরে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়। ওই শিক্ষকরা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।

 

 

ছবিতে দেখা যায়, বিকৃত পতাকা ধরে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) তাবিউর রহমান প্রধান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনার স্বামী প্রফেসর ড. পরিমল চন্দ্র বর্মন, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আর এম হাফিজুর রহমান সেলিম। আরো আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সহকারি প্রোভোস্ট ও ইতিহাসের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রভাষক সোহাগ আলী, একই হলের সহকারি প্রভোস্ট ও রসায়ন বিভাগের প্রভাষক শারাফাত কাইয়ুম, শহীদ মুখতার ইলাহি হলের সহকারি প্রভোস্ট ও ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামীম হোসাইন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও মার্কেটিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মাসুদুল হাসান, সহকারি প্রক্টর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সহকারি প্রভোস্ট প্রদীপ কুমার সরকার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক রাম প্রসাদ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. রহমতউল্লাহ, পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক আবু সাইদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এমদাদুল হক।

 

পতাকা বিকৃতির ঘটনাটি সর্বপ্রথম নজরে আনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হক। তিনি তীব্র সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, “আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে লজ্জিত, কারণ এরা সবাই শিক্ষক!”

 

 

সেখানে তিনি সমালোচনা করে বলেন, “বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকাকে অবমাননা! পতাকার ডিজাইন পরিবর্তন করা হয়েছে। বৃত্ত না দিয়ে, চারকোণার মতো আকৃতি দেয়া হয়েছে। নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কী উদ্দেশ্য, কেন পতাকার ডিজাইন পরিবর্তন করা হলো, ১/১১-এর কুশীলব না স্বাধীনতাবিরোধী, কারা তারা, কে পেছনে- তা জনগণ জানতে চায়।”

 

তিনি আরো বলেন, “এটা কোনো খেলনা নয় যে পরিবর্তন করা যায়। জাতীয় পতাকা আইন অনুযায়ী তৈরি করতে হয়। যা করা হয়েছে সেটা অপরাধ। রাষ্ট্রবিরোধী কাণ্ড। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এটাই প্রধান কর্মসূচি! আলোকসজ্জাও হয়নি ক্যাম্পাসে। ছবিতে যারা আছেন তাদের একজন ডিন, একজন প্রভোস্ট, একজন সহকারী প্রক্টর, দুইজন সহকারি প্রভোস্ট। সবাই দায়িত্বশীল, উপাচার্যের নিয়োগপ্রাপ্ত ও ঘনিষ্ঠজন!”

 

ওই পোস্টের নিচে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক মন্তব্য করেন, ‘আনুষ্ঠানিকতাসর্বস্ব হয়ে পড়েছে সবকিছু। কেউ একবার পতাকাটা চেয়েও দেখেনি। সবার চোখ ক্যামেরার দিকে।’

 

এদিকে জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 

 

জাতীয় পতাকা অবমাননার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ।

 

 

এক বিবৃতিতে তারা জানান, ভিসি অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর নির্দেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকার ডিজাইন পরিবর্তন করে ক্যাম্পাসে উড়ানো হয়েছে। জাতীয় পতাকা আইন অনুযায়ী এটা অপরাধ। কী উদ্দেশ্যে, কারা পতাকার ডিজাইন পরিবর্তন করলো তা তদন্ত করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

 

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্কের মোড়ে জাতীয় পতাকা অবমাননার সাথে জড়িত সকল দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে রংপুর মহানগর যুগলীগ। বিক্ষোভ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

 

এদিকে, জাতীয় পতাকা বিকৃত করে অবমাননার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ একাধিক শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক এবং শাখা ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা রংপুর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহামুদুল হক এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানের করা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ কিছু শিক্ষক নেতা সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতীয় পতাকা বিকৃত ও উপস্থাপন করে অবমাননা করেছেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর নির্দেশে গত ১৬ ডিসেম্বর দিবসটি পালনে দায়সারাভাবে আয়োজন করছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকে বিকৃত পতাকা উপস্থাপন করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ করেছে, এমনকি জাতীয় পতাকা তারা মেঝেতে ও পায়ের নিচে স্পর্শ করেছে, যা জাতীয় পতাকা বিধি অনুযায়ী অপরাধ।

 

 

এছাড়াও এজাহারে সহকারী প্রক্টর ও মার্কেটিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মাসুদুল হাসান, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রভাষক সোহাগ আলী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. রহমতউল্লাহর নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার নেয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

 

একই ঘটনায় ভিসির পিএসসহ ৮ শিক্ষকের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে তাজহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বেরোবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ।

 

এছাড়া জাতীয় পতাকা অবমাননা করার প্রতিবাদে অভিযুক্ত শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সরকারদলীয় সংগঠন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পতাকা অবমাননাকারীসহ উপাচার্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কঠোর কর্মসূচি ঘােষণা করে সাড়াদেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়।

 

 

রোববার (২০ ডিসেম্বর) সংগঠনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং সাধারণ সম্পাদক আল মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রংপুরে অবস্থিত বেগম রােকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক কর্তৃক গত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ মা-বােনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তকে বিকৃতভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে, যা জাতীয় পতাকার সুস্পষ্ট অবমাননা। এহেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।’

 

 

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলােকে বলা হয় সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা হচ্ছেন দেশ গড়ার কারিগর। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম যে, বেগম রােকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করে দেশের প্রচলিত আইন, ইতিহাস ও সংবিধান লঙ্ঘন করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অবমাননা করেছেন। সামাজিক যোগাযােগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাতীয় পতাকা বিকৃতির ছবি ও সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও পর্যন্ত কোন তদন্ত কমিটি বা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

 

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এর আগেও বেগম রােকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের আরােও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অনেক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পূর্বের ঘটনাগুলাের সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে আমরা মনে করি। জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার মাধ্যমে বেগম রােকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ করেছেন। কারণ জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করা মানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে অবমাননা করার শামিল।’

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘এ ধরণের সংবিধান পরিপন্থী ও ধৃষ্টতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড দেখার পরেও বেগম রােকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নীরব ভূমিকা পালন করেছেন। উপাচার্যের নীরবতাই প্রমাণ করে যে, তিনি জাতীয় পতাকার অবমাননাকারীদেরকে প্রশ্রয় দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন যা আইনের দৃষ্টিতে সুস্পষ্ট অপরাধ। সুতরাং জাতীয় পতাকার অবমাননার দায়ভার উপাচার্য কোনভাবেই এড়াতে পারেন না।’

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ছবি দেখে চিহ্নিত করে অবিলম্বে জাতীয় পতাকা অবমাননাকারীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারসহ আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’ এছাড়া নীরব ভূমিকা পালন করার দায়ে উপাচার্যের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

এদিকে, এ ব্যাপারে একাধিকবার ফোন করেও পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষকদের মতামত জানা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023