বিনোদন ডেস্ক
ওপার বাংলার অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র; ক্যারিয়ারের অল্প সময়েই পেয়েছেন জনপ্রিয়তা। দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু সিনেমা করে আসেন আলোচনায়। পর্দার বাইরেও তাদের সম্পর্কের কথা কারও অজানা নয়। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এই অভিনেত্রীর নতুন ছবি।
এই মহামারীর মধ্যে নতুন ছবি মুক্তিতে ভরসা পাচ্ছেন না নির্মাতারা, সেখানে রুক্মিণী অভিনীত নতুন ছবি ‘সুইৎজ়ারল্যান্ড’ মুক্তি পাচ্ছে আসছে দীপাবলিতে। ছবিটি নিয়ে আশাবাদী এই নায়িকা গণমাধ্যমে বলেন, ছবিটা গ্রীষ্মের ছুটিতে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। মহামারী আসার আগে ‘সুইৎজ়ারল্যান্ড’ নিয়ে আমরা সকলেই আশাবাদী ছিলাম। সম্প্রতি ট্রেলার লঞ্চ করার পরে সকলের সাড়া পেয়ে আবার ভরসা ফিরে পাচ্ছি। মধ্যবিত্তের স্বপ্নের কথা বলে ছবিটা। আমরা সকলেই কখনও না কখনও টাকা জমিয়েছি বিদেশে যাব বলে, অথবা কোনও দামি কিছু কিনব বলে। সেই আকাঙ্ক্ষা নিয়েই ছবিটা।
অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, দেবের প্রোডাকশনের বাইরে সুরিন্দর ফিল্মসের সঙ্গে ছবি করেছি। জিতের প্রোডাকশন হাউসের কাছ থেকে এটা আমার তৃতীয় অফার। আগের ছবিগুলো ডেট ম্যাচ না হওয়ার জন্যই করতে পারিনি। অথচ এটা কেউ বিশ্বাস করতে চান না। ‘সুইৎজ়ারল্যান্ড’-এর রুমির চরিত্রের জন্য আমি কিন্তু পরিচালকের প্রথম পছন্দ ছিলাম না। জিৎদাই প্রথম আমাকে নেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে দেবের সঙ্গে কথা বলতে আসে। ছবিতে রুমি, অর্থাৎ আমার চরিত্র দুই সন্তানের মা। হয়তো সেই কারণেই চরিত্রটা এত বার হাতবদল হয়ে আমার কাছে এসেছে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই এই ধরনের চরিত্র বাছাটা ঝুঁকির হয়ে যাচ্ছে, এমন কথাও শুনতে হয়েছিল আমাকে। তবে এর আগেও আমার স্ক্রিন এজ বাড়ানো হয়েছে, বয়সের তুলনায় বেশি পরিণত চরিত্রে কাজ করেছি। তাই এ বারও ঝুঁকি নিতে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম।
রুক্মিণী মৈত্র মানেই দেবের ছবি, আপনার কাছে অন্যান্য প্রস্তাব আসার পথে কি বাধা হয়ে দাঁড়ায় এই ধারণা? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সব সময়ে আমাকেই কেন এই প্রশ্নগুলোর সম্মুখীন হতে হয়। টলিউডে এমন অনেক প্রোডাকশন হাউস রয়েছে, যারা পরপর একই নায়িকাকে নিয়ে কাজ করে যায়। বহু নামী পরিচালক রয়েছেন, যাঁরা নিজেদের ছবিতে পরপর একই মুখদের সুযোগ দেন। এখানে পেট্রিয়ার্কিও একটা সমস্যা। কোনও মেয়ে নিজের চেষ্টায় কিছু অর্জন করতে গেলেও তাঁর প্রাপ্য কৃতিত্বটা দিতে চান না কেউ। আমি তো তা-ও একাধিক পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছি। শুধু ডাবিং দেখেই কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ‘ককপিট’-এ কাস্ট করেছিলেন আমাকে। ‘কবীর’-এ যে চরিত্রে আমাকে ভেবেছিলেন পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়, শুরুতে ওই রকম একটা চরিত্রের কথা অনেকেই ভাবতে পারেন না।