শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

১৫ বছর পর ১৬ তলা হল পেলেন জবি ছাত্রীরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যার বয়স ১৫ বছর। এত দীর্ঘ বয়সেও প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের জন্য কোন আবাসন ব্যবস্থা ছিলনা। অবশেষে ১৫ বছর পর ১৬ তলা আবাসিক ছাত্রী হলের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের চাওয়া কিছুটা হলেও পূরণ হলো।

 

মঙ্গলবার পুরান ঢাকার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নামে নতুন ওই হলের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান। তবে সেখানে ছাত্রীদের উঠতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কয়েক মিনিটের হাঁটা পথে লিয়াকত এভিনিউয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ১৬তলা এই আবাসিক ভবন।

 

হলটি নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনের সাব অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, হলের কাজ ‘৯৯ শতাংশ’ শেষ হলেও এখনও থাকার মতো পরিস্থিতি হয়নি। প্রয়োজনীয় সব আসবাবেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ পেলে পুরা বিল্ডিংয়ের লাইট-ফ্যান চলবে। এছাড়া ফায়ারের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, ওদের শুধু দুটো পাম্প বসানো বাকি। লিফটের কাজ ২০ ভাগ কমপ্লিট হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই তা পুরোপুরি শেষ হবে।

 

শুরুতে এই হলের নির্মাণ ব্যয় ৩৩ কোটি টাকা ধরা হলেও কাজ শেষ করতে ৩৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান শাহাদৎ হোসেন।

 

জানা যায়, ১৬তলা হলটির ১৫৬টি কক্ষে চারজন করে মোট ৬২৪ জন ছাত্রী থাকতে পারবেন। হলের তৃতীয় থেকে ১৬তলা পর্যন্ত ছাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। আর নিচতলা ও দোতলায় করা হয়েছে ক্যান্টিন।

 

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে হলে ছাত্রীদের তোলা হবে বলে উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে সিট বরাদ্দ হয়, সে নীতিমালাগুলো পর্যালোচনা করে একটা নীতিমালা তৈরি করেছেন হলের প্রভোস্ট, সে অনুযায়ী ছাত্রীরা হলে উঠবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসে হিসেবে মোট ২০ হাজার শিক্ষার্থী এখানে লেখাপড়া করেন। যার মধ্যে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ছাত্রী আছে।’

 

২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা নিয়মিতই বেদখল হল পুনরুদ্ধার ও নতুন হল নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। এরইমধ্যে ২০১৪ সালে শিক্ষার্থীরা হলের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুললে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প’র অধীনে ওই বছরের ২০ অক্টোবর হলটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। পরে কাজের ধীরগতির কারণে ছাত্রাবাসটির নির্মাণ প্রকল্পের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়াতে হয়েছিল।

 

এদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হল প্রস্তুত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত হলেও আরও হলের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023