শিরোনাম :
১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ইরানে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্নের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি : জামায়াত আমির

তিন মাসে মোবাইল সংযোগ কমেছে প্রায় ৫০ লাখ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

মোবাইল ফোনের সংযোগের সংখ্যা কমছে। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রভাব শুরুর পরে মোবাইল খাতে এই সমস্যা প্রকট হয়ে উঠেছে। গত তিন মাসে দেশে মোবাইল সংযোগ কমেছে প্রায় ৫০ লাখ। মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটবও বিষয়টি স্বীকার করেছে।

 

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির সর্বশেষ মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের দেখা গেছে, দেশে মোবাইল মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার। লকডাউন শুরুর আগে ফেব্রুয়ারির শেষে সংযোগ সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৬১ লাখ ১৪ হাজার। সেই হিসাবে মার্চ, এপ্রিল ও মে এই তিন মাসে সংযোগ সংখ্যা কমেছে ৪৬ লাখ ৮ হাজার।

 

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মার্চে মোবাইল সংযোগ সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার। আর এপ্রিলে ছিল ১৬ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার।

 

এ বিষয়ে অ্যামটবের মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ বলেন,  ‘এ বছরের শুরু থেকে মোবাইল গ্রাহক কমে আসার বিষয়টা লক্ষ্য করছি আমরা। আরও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রাহক সংখ্যা কমতে থাকে। করোনার বিরূপ প্রভাবের কারণে এটা হয়েছে বলে আমরা মনে করছি। আসলে দেশের সব ব্যবসায়িক খাতের মতো মোবাইল খাতের নিম্নগতির কথা বলে আসছি আমরা। যদিও মোবাইল এখন সব ধরনের ব্যবসা, শিক্ষা, বিনোদন ইত্যাদির প্রাথমিক যোগাযোগ মেটায় তবে অন্যান্য ব্যবসা যখন প্রভাবিত হয় তখন তা মোবাইল খাতকেও প্রভাবিত করে।’

 

তিনি আরও বলেন, আয়ের নিম্ন সারিতে থাকা মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাছাড়া লকডাউনের কারণে অনেক খুচরা দোকান বন্ধ হয়ে গেছে এবং গ্রাহকরা রিচার্জ পয়েন্টগুলোতে যেতে পারছে না। এর প্রভাব পড়াও স্বাভাবিক। এসব কারণে একদিকে যেমন নতুন গ্রাহক যুক্ত হচ্ছেন না তেমন অনেকে আবার হয়তো ইনঅ্যাক্টিভ (নিষ্ক্রিয়) হয়ে গেছেন।

 

জানা যায়, মে মাসে গ্রামীণফোন ঘোষণা দিয়ে এপ্রিল মাসে মোবাইলে রিচার্জ করেতে পারেননি বা যাদের যাদের ব্যালেন্স নেই এমন এক কোটি মোবাইল গ্রাহককে ১০ মিনিট করে ফ্রি ‘কল মিনিট’ উপহার দেয়। এরপরে মোবাইল অপারেটর রবি তাদের এক কোটি ৩০ লাখ গ্রাহককে ১০ মিনিট করে ‘কল মিনিট’ ও ৫০ এমডি ডেটা উপহার দেয়।

 

মোবাইল অফারেটরগুলোর ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা হিসাব করে দেখ গেছে গত তিন মাসে অপারেটরগুলোর ২ লাখ ৮ হাজার গ্রাহক কমেছে।  গত ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহারকারীরর সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ৪২ লাখ ৩৬ হাজার। মার্চে লকডাউনের সময় তা বেড়ে হয় ৯ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার। এপ্রিলে প্রায় প্রায় ২০ লাখ গ্রাহক কমে তা দাঁড়ায় ৯ কোটি ৩১ লাখ ১ হাজারে। মে মাসে গ্রাহক কিছু বাড়ে। মে মাসে প্রকাশিত বিটিআরসির প্রতিবেদনে দেখা গেছে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি ৪০ লাখ ২৮ হাজার। ফেব্রুয়ারি মাসে মোবাইল গ্রাহকের তুলনায় মে মাসে এসে কমেছে ২ লাখ ৮ হাজার গ্রাহক। মার্চ ও এপ্রিল মাসে গ্রাহক সংখ্যা ওঠানামা করেছে।

 

প্রসঙ্গত, কোনও গ্রাহক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি (আঙুলের ছাপ) ব্যবহার মোবাইল সিম কিনে ৯০ দিনের মধ্যে যদি একবারও ভয়েস, ডাটা (ইন্টারনেট ব্যবহার) ও এসএমএস করে থাকে তাহলে একজন গ্রাহক হিসেবে গণনা করে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023