স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ায় যুবলীগ-কৃষক লীগ নেতার কালোবাজারে কেনা সরকারি চাল ৫১৩টি অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করলো জেলা পুলিশ। গত মাসে জেলার সোনাতলা ও গাবতলী উপজেলা থেকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪ হাজার ২৫০ কেজি চাল জব্দ করে পুলিশ। আদালতের অনুমতিক্রমে রোববার সেই চাল এই দুই উপজেলায় করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মাছউদ চৌধুরী জানান, গত ৯ এপ্রিল মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মিঠু মণ্ডলকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১ হাজার ৫শ কেজি চালসহ গ্রেফতার করা হয়। মিঠু কালোবাজার থেকে এসব চাল কিনে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জব্দ করা চাল অসহায়-দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের অনুমতি চাইলে আদালত তা প্রকৃত অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণের অনুমতি দেন। পরে জব্দ করা চাল থেকে ৭ কেজি করে চাল এবং জেলা পুলিশের তহবিল থেকে আলু, আটা, মিষ্টি কুমড়া, খেজুর ও ছোলাসমেত ২১৩টি পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তার প্যাকেট তৈরি করা হয়।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, রোববার দুপুরে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা সোনাতলা থানা চত্ত্বরে কয়েকটি অসহায় পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তার এই প্যাকেট তুলে দেন। পরে উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় বাকি পরিবারগুলোর বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেন পুলিশ সদস্যরা।
এদিকে, গাবতলী উপজেলার দক্ষিণপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলামের হেফাজত থেকে জব্দ করা ২ হাজার ৭৫০ কেজি চালও স্থানীয় অসহায় পরিবারগুলোর হাতে তুলে দিয়েছে থানা পুলিশ। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এসব চাল থেকে ৯ কেজি করে চাল এবং তার সঙ্গে এক কেজি আলু ও মিষ্টিকুমড়াসহ খাদ্য সহায়তার প্যাকেট তৈরি করে গাবতলী থানা পুলিশ। করোনা ভাইরাসের এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া ৩শ পরিবারের হাতে রোববার তুলে দেয়া হয় এই খাদ্য সহায়তা।বগুড়ায় যুবলীগ-কৃষক লীগ নেতার কালোবাজারে কেনা সরকারি চাল ৫১৩টি অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করলো জেলা পুলিশ। গত মাসে জেলার সোনাতলা ও গাবতলী উপজেলা থেকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪ হাজার ২৫০ কেজি চাল জব্দ করে পুলিশ। আদালতের অনুমতিক্রমে রোববার সেই চাল এই দুই উপজেলায় করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মাছউদ চৌধুরী জানান, গত ৯ এপ্রিল মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মিঠু মণ্ডলকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১ হাজার ৫শ কেজি চালসহ গ্রেফতার করা হয়। মিঠু কালোবাজার থেকে এসব চাল কিনে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জব্দ করা চাল অসহায়-দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের অনুমতি চাইলে আদালত তা প্রকৃত অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণের অনুমতি দেন। পরে জব্দ করা চাল থেকে ৭ কেজি করে চাল এবং জেলা পুলিশের তহবিল থেকে আলু, আটা, মিষ্টি কুমড়া, খেজুর ও ছোলাসমেত ২১৩টি পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তার প্যাকেট তৈরি করা হয়।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, রোববার দুপুরে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা সোনাতলা থানা চত্ত্বরে কয়েকটি অসহায় পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তার এই প্যাকেট তুলে দেন। পরে উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় বাকি পরিবারগুলোর বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেন পুলিশ সদস্যরা।
এদিকে, গাবতলী উপজেলার দক্ষিণপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলামের হেফাজত থেকে জব্দ করা ২ হাজার ৭৫০ কেজি চালও স্থানীয় অসহায় পরিবারগুলোর হাতে তুলে দিয়েছে থানা পুলিশ। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এসব চাল থেকে ৯ কেজি করে চাল এবং তার সঙ্গে এক কেজি আলু ও মিষ্টিকুমড়াসহ খাদ্য সহায়তার প্যাকেট তৈরি করে গাবতলী থানা পুলিশ। করোনা ভাইরাসের এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া ৩শ পরিবারের হাতে রোববার তুলে দেয়া হয় এই খাদ্য সহায়তা।