শিরোনাম :
সিরাজগ‌ঞ্জে এমপি আইনুলের ওপর হামলা, ইট-পাটকেলে ভাঙলো গাড়ির কাঁচ পেছনে বসে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে আর সামনে বলছে ‘বিদ্যুৎ চাই-বিদ্যুৎ চাই’: প্রধানমন্ত্রী এমপি আমির হামজার বাড়ি ঘিরে পুলিশ মোতায়েন কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স হবে বগুড়ায় দেড় লাখ অটো গিলে খাচ্ছে বিদ্যুৎ বগুড়ায় আবাসিক হোটেল থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা? আগামী সপ্তাহে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, মোদির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা বৃহস্পতিবারের মধ্যেই পদত্যাগ করছেন মির্জা ফখরুল দুই কারণে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: ভারত নন্দীগ্রামে কৃষিসেবা পৌঁছে দিতে কৃষকের দোরগোড়ায় কৃষি কর্মকর্তারা

ধামইরহাটে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজে অনিয়ম

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর ধামইরহাটে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, নওগাঁর বাস্তবায়নে ধামইরহাট উপজেলা আমাইতাড়া হতে মঙ্গলবাড়ী পর্যন্ত সাড়ে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ কিলোমিটার রাস্তার ও ৯’শ মিটার ড্রেন নির্মান কাজ অনুমোদিত হয় এবং রাস্তার খননকাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

 

কিন্তু কাজ ভাল ভাবে শুরু হতে না হতেই অনিয়মের শুরুটা চোখে পড়ার মত। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারী বেলা ১১ টায় ধামইরহাট উপজেলার পূর্ব বাজার এলাকায় সোনালী ব্যাংকের সামনে গিয়ে দেখা যায়, ড্রেন নির্মান কাজে খনন পরবর্তী বালি ও পানি দিয়ে কমপেকশন করার কথা, এবং তার পরই ইট বিছিয়ে ঢালাই কাজ সম্পন্ন করার বিধিগত ও ইস্টিমেটে উল্লেখ  থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা করছেনা, মাটিতে বালি ও পানি না দিয়ে যেনতেন ভাবে সরাসরি ঢালাই সম্পন্ন করছে। মিস্ত্রিকে এই অনিয়মের কথা বললে তারা মুখ খুলতে নারাজ, অনেকেই ক্যামেরা দেখে পালাবার মত অবস্থা। এ বিষয়ে দায়িত্বরত কার্য সহকারী মো. আসহান  বলেন, বালি ও পানি  দিয়ে কমপেকশন করার কথা আছে, করছেন না কেন, প্রশ্ন করা হলে, তিনি নির্বাক হয়ে উর্ধতন মহলে ফোন করা শুরু করেন।

 

সড়ক ও জনপথ বিভাগ, নওগাঁ পতœীলার উপ-বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রুবেল  হোসেন, বলেন, বালি ও পানি অবশ্যই দিতে হবে, তবে কোথাও যদি শুকনা জায়গা পাওয়া যায় তাহলে বালি-পানি না দিলে সমস্যা হবে না। সরকারী নির্দেশনা ও ইস্টমেটে বালি-পানি দিতে হবে উল্লেখ থাকলেও কেন শুকনা জায়গার অজুহাত দিচ্ছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা দেখছি।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী রাজেন সাহা, আবু তালেব, মুক্তারুল হক ও আবু ইউসুফ মর্তুজা রহমান অভিযোগ করে বলেন, এ অনিয়ম মেনে নেওয়া যায়, আমরা মুজিব বর্ষে কোন অনিয়ম হতে দিব না, প্রতিকারের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করছি।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023