বাজারে কোনো পণ্য কিনতে গিয়েই স্বস্তি পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। প্রতিটি পণ্যের দামই হু হু করে বাড়ছে। মধ্যবিত্তরাও এখন দামের চাপে ব্যাগের তলানিতে পণ্য নিয়ে ফিরছেন ঘরে। নিম্নবিত্তদের অবস্থা অবর্ণনীয়।
ব্যাংক খাতে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে খেলাপি ঋণ। একদিকে বাড়ছে খেলাপি ঋণ, অন্যদিকে বাড়ছে খেলাপি ঋণের মধ্য থেকে আদায় না হওয়ার হার। ফলে এসব ঋণের সিংহভাগই রয়ে যাচ্ছে অনাদায়ী। এর
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতির লাগাম যেন থামছেই না। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিশ্বব্যাংক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
দেশের চিনির বাজারে চলছে অস্থিরতা। সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে চিনির দাম। চিনির এমন অস্থিরতায় সাশ্রয়ী মূল্যে চিনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এমন পরিস্থিতিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। রোববার রাতে টিসিবি এক সংবাদ
অচিরেই আরও এক লাখ টন চিনি আমদানি করা হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে চিনি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে একটু বাজার তদারকি করলে চিনির বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আমরা
সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে গেছে মোটা চাল, পেঁয়াজ ও চিনির দাম। অন্যদিকে শাক-সবজি, মাছ-মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এখনো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। কমেনি ডিম এবং ব্রয়লার মুরগির দামও। ফলে বাজারে নেই
লাইসেন্স ছাড়া চলতে পারবে না সিএনজি স্টেশন। জবাবহিদিতার আওতায় আনতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) উদ্যোগে শেষ পর্যন্ত সাড়া দিয়েছেন স্টেশন মালিকরা। যদিও মালিকদের সংগঠন বলছে, বিপুল অঙ্কের লাইসেন্স ফি
চলতি মাসের (অক্টোবর) প্রথম ১৩ দিনে রেমিট্যান্স হিসেবে ৭৭ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার ১৬২ কোটি টাকা) দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সোমবার (১৭ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে
ভোজ্যতেলের ভ্যাট হার মওকুফ সুবিধার সময় আরও তিনমাস বাড়ানো হয়েছে। আমদানি, উৎপাদন এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ে দেওয়া হচ্ছে এই সুবিধা। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
চিনির দাম কেজিতে ৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। খোলা চিনি প্রতি কেজি ৯০ টাকা, আর প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও পামঅয়েল সুপার প্রতি লিটারে ৮ টাকা কমিয়ে ১২৫