ঝালকাঠীর সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে আর কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি। যদিও বরগুনা জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমকে এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিখোঁজ যাত্রীর তথ্য দিয়েছেন
ঢাকা থেকে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযান-১০ লঞ্চে করে গ্রামে ফিরছিলেন হাফেজ তুহিন। লঞ্চে যখন আগুন লাগে তখন প্রাণ বাঁচাতে আড়াই বছরের শিশুসন্তান তাবাসসুমকে নিয়ে স্ত্রীর হাত ধরে নদীতে ঝাঁপ দেন।
সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ ঝালকাঠি সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। ঢাকার সদরঘাট থেকে বরগুনার বেতাগীর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া লঞ্চটিতে
মনোয়ারা বেগম (৬৫) চার সন্তানের জননী। বড় মেয়ে নাজমা বেগমের বাড়ি দুই ছেলে, এক মেয়ে, ছেলের বউ, মেয়ের জামাই আর নাতি নাতনিদের নিয়ে যাচ্ছিলেন। সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান -১০ লঞ্চে
লঞ্চ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৯ জনের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বরগুনা সার্কিট হাউস সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ওই ঘটনায় নিহত ৪১ জনের ৩৭ জনই
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে লাশ দাফনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে আরও ২৫ হাজার
ঝালকাঠিতে এমভি অভিযান-১০ যাত্রীবাহী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ৪০ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক জহর আলী। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ ৭০ জনকে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে
চলন্ত লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীর। শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নদী তীরের গাবখান ধানসিঁড়ি এলাকায় অগ্নিদগ্ধদের স্বজনরা ভিড় করেন। এর
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ ও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার